Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তার ঝুললেই ব্যবস্থা

'সড়ক ও ফুটপাতের ওপর নির্মাণসামগ্রী, দোকান বা অন্য কিছু পেলে তা সঙ্গে সঙ্গে নিলামে বিক্রি করা হবে'

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২০, ০৭:২৬ পিএম

আগামী ১ অক্টোবর থেকে ঝুলন্ত তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

রবিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর কালশীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

এদিন সকাল পৌনে ৭টায় উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর থেকে ডিএনসিসির বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন, সড়ক মেরামত, চলমান উন্নয়নমূলক কাজ, অবৈধ ফুটপাত দখল, অবৈধ বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড ইত্যাদি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মেয়র।

উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর থেকে শুরু হয়ে মিরপুর, কচুক্ষেত, মগবাজার, গুলশান হয়ে বনানীতে শেষ হয় বিশেষ এই পরিদর্শন কার্যক্রম।

সকাল সাড়ে ৭টায় উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে যান আতিক। সেখানে একটি বাড়ির সামনে অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে নির্মাণ সামগ্রী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরে বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মেয়র।

এরপর উত্তরা পশ্চিম থানার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় থানার পাশে ডাম্পিং করে রাখা গাড়িতে পানি জমে এডিস মশার লার্ভা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করেন। থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে তিনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

মেয়র উত্তরায় খিজির খাল পরিদর্শন শেষে সকাল ৮টায় মিরপুরের কালশী খাল এবং আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন। কালশী এলাকার আশপাশের গলিতে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর কারণে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ডিএনসিসির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

কালশীতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘এরপর পরিদর্শনে বের হলে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট ও ট্রাক, লোডার, বুলডোজার থাকবে। সড়ক ও ফুটপাতের ওপর নির্মাণসামগ্রী, দোকান বা অন্য কিছু পেলে তা সঙ্গে সঙ্গে নিলামে বিক্রি করা হবে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা এ অভিযান শুরু করব।’’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘‘আপনারা দেখেছেন সুন্দর ফুটপাতের ওপর নির্মাণসামগ্রী রেখে তা নষ্ট করছে। এই শহরে এগুলো বরদাশত করা হবে না। ১ অক্টোবর থেকে আমরা ঝুলন্ত তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজস্বের আওতা বাড়ানোর জন্য চিরুনি অভিযান শুরু হবে।’’

‘‘আমরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে যারা ট্যাক্সের আওতায় আসেনি তাদেরকে ট্যাক্সের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেব। আমরা আজ শুরু করলাম, এটি চলমান থাকবে।’’

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘‘কালশীতে এক সময় অনেক জলাবদ্ধতা হতো, এখন আর সেরকম নেই। একইভাবে বনানী এয়ারপোর্ট রোডের জলাবদ্ধতাও নিরসন করা হয়েছে। আশকোনায় নতুন খাল খনন করা হয়েছে। মেট্রোরেল প্রজেক্টের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনেরও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’

পরিদর্শন কার্যক্রমে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর সাইদুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল হামিদ মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

About

Popular Links