Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নওগাঁয় নিষিদ্ধ সুতি জাল দিয়ে চলছে মাছ নিধন

এমনকি বাস্তুসংস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জুওপ্ল্যাঙ্কটন, ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনও আটকাতে সক্ষম এই জাল

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২১ পিএম

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের বিভিন্ন খালের মুখে ৩টি স্লুইসগেটে অবৈধ ও নিষিদ্ধ সুতি জাল দিয়ে চলছে মাছ নিধন। দীর্ঘদিন ধরে এই জাল ব্যবহৃত হলেও প্রশাসনের উল্লেযোগ্য কোনো ভূমিকা নেই। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। 

বিল ও খাল অধ্যূষিত মিরাট ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বিল মুনছুর, বিল চৌরসহ কয়েকটি বড় বিল এবং শ্রীমতখালী, কাটাধর ও বড়ধর নামের কয়েকটি খালের অবস্থান এই ইউনিয়নে। এসব বিল ও খালের পানি নিষ্কাশনের জন্য মিরাট রাস্তার ৩টি জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে স্লুইসগেট। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই এই ৩টি স্লুইসগেটে অবৈধ ও নিষিদ্ধ সূতি জাল দিয়ে মাছ নিধন করে আসছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। আর ক্ষতির মুখে পড়েছে বিলের আশেপাশে বসবাসরত কয়েকশত মৎস্যজীবী। 

১ নম্বর স্লুইসগেটে আতাইকুলা গ্রামের মওদুত, ২ নম্বর গেটের আতাইকুলা গ্রামের আতিকুল, মামুন, কুদ্দুস এবং ৩ নম্বর স্লুইসগেটে ধনপাড়া গ্রামের রুবেল, ফরিদ, ফজলুসহ অনেকেই সুতি জাল ফেলে মাছ ধরে। ফলে মৎস্যজীবীদের জালে মাছ ধরা পড়ছে না। 

এছাড়া, সুতি জাল এড়িয়ে ছোট-বড় কোনো মাছই রেহাই পায় না। এমনকি বাস্তুসংস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জুওপ্ল্যাঙ্কটন, ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনও আটকাতে সক্ষম এই জাল। ফলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছসহ ওই এলাকায় অনেক জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ এখন বিলীন হওয়ার পথে। 

উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায় বলেন, ‍“খবর পেয়ে আমি একবার গিয়ে সূতি জাল তুলে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে তারা আবার জাল পেতেছে। বিষয়টি আমি নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তিনি অনুমতি দিলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল মামুন বলেন, “আমি বিষয়টি জেনেছি। অতিদ্রুত সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব।”

About

Popular Links