Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দা দিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে নিজের গলা কাটলেন স্বামী

মনির মোল্লার ছোট মেয়ে মাফুজা বলেন, 'আমার আব্বা বেশ কয়েক মাস ধরে সন্দেহজনক আচরণ করে আসছে'

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৪৪ পিএম

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় স্ত্রী ও ছেলেকে কুপিয়ে আহত করে মনির মোল্লা (৫৫) নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর চরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

মনিরের  স্ত্রী তানজিলা বেগম (৪৫)  ও ছেলে ইমদাদুল মোল্লাকে (২৩) সঙ্কটজনক অবস্থায় প্রথমে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মনির মোল্লার লাশ গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। 

নিহত মনির মোল্লার মেয়ে রাফেজা (২৮) বলেন, শনিবার রাতে তার মা তানজিলা বেগমের সঙ্গে ঝগড়া করছিলেন তার বাবা। এক পর্যায়ে বাবা মায়ের গলা চেপে ধরেন। সে সময় ভাই ইমদাদুল দৌড়ে এসে ছাড়ানোর চেষ্টা করে। তখন ঘরের মেঝেতে থাকা দা দিয়ে মনির মোল্লা ছেলে ইমদাদুলের মাথায় কোপ দেন। পরে  ওই দা দিয়ে স্ত্রীকেও কোপ দেন তিনি। পরে আহত দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মনির রান্না ঘরে গিয়ে সেখানে থাকা বটি দিয়ে নিজের গলায় কাটেন। তাকে উদ্ধার করে  গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মনির মোল্লার ছোট মেয়ে মাফুজা (২৫) বলেন, “আমার আব্বা বেশ কয়েক মাস ধরে সন্দেহজনক আচরণ করে আসছে। একা একা কথা বলতো। আমাদের সাথে ভালভাবে কথা বলতো না। তিন মাস ধরে তাকে মানসিক চিকিৎসার ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে।” 

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, মনির মোল্লা তার স্ত্রী তানজিলা  বেগম ও ছেলে ইমদাদুল মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন। পরে নিজের গলায় ধারালো বটি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার স্ত্রী ও ছেলেকে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

About

Popular Links