Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাড়ছে উত্তরাঞ্চলের তিন নদীর পানি

‘গত দুই দিন ভারতে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় উজানের ঢলে জেলার নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। আগামী দুই দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে’

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৩ পিএম

উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এছাড়া ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী ৪৮ ঘন্টা পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকলেও জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানায়, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি ৩৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সেতু পয়েন্টে  বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

অন্যদিকে, তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা অববাহিকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তিস্তার ভাঙনে রাজারহাট ও উলিপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে শতাধিক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে বাস্তুহারা জীবন যাপন করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বুধবার দুপুর থেকে জেলায় ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আগামীকাল (১৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত আকাশে মেঘের উপস্থিতিসহ বৃষ্টিপাত থাকতে পারে। এরপর বৃষ্টিপাত কমে আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, “গত দুই দিন ভারতে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় উজানের ঢলে জেলার নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। আগামী দুই দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও বিপৎসীমার এক মিটার নিচে থাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

এক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “নদ-নদী অববাহিকার কিছু চরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও জেলায় সার্বিকভাবে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। আশা করছি দু’একদিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।”

তিস্তা অবাহিকায় ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

About

Popular Links