Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রযুক্তি ও সোর্সের সহায়তায় সাইফুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ

দাড়ি কেটে ফেলা ও নিজের বেশভূষা পরিবর্তন করে ফেলায় তার পরিচয় নিশ্চিত হতে পুলিশের বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৪২ পিএম

সিলেটের এমসি কলেজের হোস্টেলে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে শনিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করে ছাতক থানার পুলিশ। পুলিশের সোর্সের দেয়া তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছেন ছাতক সার্কেলের সহাকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)  মো. বিল্লাল হোসেন।

জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে ছাতক থানা পুলিশের হাতে তথ্য আসে যে সাইফুর রহমান ছাতকের নোয়রাইর খেয়াঘাট দিয়ে সুরমা নদী পার হবে। পরে প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে শুরু হয় পুলিশি অভিযানের প্রস্তুতি। পরে সোর্সের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ভোর ৬টায় নোয়ারাইর এলাকার খেয়াঘাটে অবস্থান নেন ছাতক থানা পুলিশের সদস্যরা। দেড় ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও সাইফুরের দেখা পাননি তারা।

এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে সাতটার সময় গায়ে জ্যাকেট, মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় এক যুবককে নৌকায় চড়ে নোয়ারাই থেকে ছাতক পৌর এলাকায় আসতে দেখে সন্দেহ হলে পুলিশ এগিয়ে যায়। পরে পুলিশের সোর্স ওই ব্যক্তিই সাইফুর রহমান বলে শনাক্ত করে। এর পুলিশ নৌকায় উঠে ওই যুবককে তার নাম জিজ্ঞেস করলে সেও নিজেকে সাইফুর রহমান বলে পরিচয় দেয়। পরে তাকে খেয়াঘাট থেকে আটক করে সরাসরি ছাতক থানায় নিয়ে আসা হয়।

সেখানে পুলিশ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে তার নাম পরিচয় নিশ্চিত হয়। পরে সাইফুরকে সিলেট মেটোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) আওতাধীন শাহপরান থানায় স্থানান্তর করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে সাইফুল। সে জানায়, সিএনজি অটোরিকশায় চড়ে সীমান্ত এলাকা থেকে ছাতক পৌর এলাকায় নোয়ারাই এলাকায় এসেছিল সে।

ছাতক সার্কেলের এএসপি মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, “সিলেটের শাহপরান থানায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেফতারের জন্য সিলেটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন স্যার ও পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় ছাতক থানার পুলিশ সদস্যদের গতকাল রাতেই সাইফুরের ব্যাপারে খবর দেয়া হয়। সাইফুর ছাতকের একটি রুট ব্যবহার করে অন্য কোথাও যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানানো হয় তাদের।  পরে থানার ওসি মিজানুর রহমান, এসআই হাবিবুর রহমান, এএসআই মোহাম্মদ আলীসহ পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে বেলা সাড়ে ১২ টা তাকে এসএমপি’র শাহ পরান থানার পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আসামি নিজের চেহারা আড়াল করতে নিজের দাড়ি কেটে ফেলেছিল ও জ্যাকেট পরে ছিল। এসব কারণে তার পরিচয় নিশ্চিত হতে কিছুটা সময় লেগে যায়।”

About

Popular Links