Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘বিএসএফের গুলিতে’ বাংলাদেশি নিহতের ৬ দিন পর লাশ উদ্ধার

‘খবরটি জানার পর আমরা বিএসএফকে জানালে তারা অস্বীকার করে। এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা খোঁজ খবর নিয়েও নিশ্চিত হতে পারিনি’

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:১১ পিএম

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্তে গোলাগুলিতে নিহত নুরুদ্দিনের মরদেহ ৬দিন পর মহানন্দা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। 

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার বালুগ্রাম এলাকায় মহানন্দা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুদ্দিন (২৮) ভোলাহাট উপজেলার পাঁচটিকরী নামোটোলা গ্রামের দুরুল হোদার ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে নুরুদ্দিনসহ কয়েকজন চোরাকারবারি অবৈধভাবে ভোলাহাটের জেকে পোল্লাডাঙ্গা সীমান্তে দিয়ে ভারতে যায়। তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিল তারা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকায় গুঞ্জন উঠে নুরুদ্দিন ভারতীয় সুখনগর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে মারা গেছে এবং স্থানীয় জেলেরা ভারতীয় অংশে তার মরদেহ মহানন্দা নদীতে ভাসতে দেখে। 

নুরুদ্দিনের বাবা দুরুল হুদা ও তার ছোট ভাই দেলোয়ার জানান, খবর পেয়ে ৫৯ বিজিবিকে ঘটনাটি জানানো হলেও মরদেহটি উদ্ধারে বিজিবি কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো বিজিবি জানায় সীমান্তে এ ধরনের কোনো ঘটনায় ঘটেনি বলে তাদের (বিজিবি) নিশ্চিত করেছে বিএসএফ। আজ দুপুরে ভাসমান অবস্থায় নুরুদ্দিনের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করলে তার বুকে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান বলেন, “সুরতহাল রির্পোট শেষে মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য লাশটি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিকেলে তার পরিবার মরদেহটি শনাক্ত শেষে নিশ্চিত করেন যে এটি নুরুদ্দিনেরই মরদেহ। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি  হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।”   

এ বিষয়ে ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান জানান, “খবরটি জানার পর আমরা বিএসএফকে জানালে তারা অস্বীকার করে। এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা খোঁজ খবর নিয়েও নিশ্চিত হতে পারিনি। তবে আজ মরদেহ উদ্ধারের পর নুরুদ্দিনের পরিবার ও পুলিশের সাথে কথা বলে বিএসএফকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হবে।”

About

Popular Links