Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় আটক ১২

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাণ্ডব চালানো সন্ত্রাসীদের আটকের জন্য আরও অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৩৪ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সপ্তাহ ধরে চলা সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও হতাহতের ঘটনায় ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত কুতুপালং ১ নম্বর ক্যাম্প এবং আশপাশের ক্যাম্পে পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়া থানার পরিদর্শক (ইনস্পেক্টর, তদন্ত) গাজী সালাউদ্দীন ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, আটক রোহিঙ্গাদের সবাই কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের সদস্য এবং তাদের বিরুদ্ধে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে গত এক সপ্তাহ ধরে সংঘর্ষ গোলাগুলি ও খুনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে কুতুপালং ক্যাম্পে তাণ্ডব চালানো সন্ত্রাসীদের আটকের জন্য আরও অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ রেস্ট হাউসে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি ফিরিয়ে আনতে যা করা দরকার, সবই করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখবে। পুলিশ চেষ্টা করবে এ ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়।”

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের দু’টি গ্রুপের মধ্যে চলা সংঘাতে এ পর্যন্ত নারীসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক রোহিঙ্গা। ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সংখ্যা দেড় শতাধিক।

পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশি বাসিন্দাও রয়েছে। তিনি পেশায় গাড়ি চালক। তার নাম নুরুল হুদা। তিনি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। মঙ্গলবার বিকালে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে মারা যান তিনি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হতাহতের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উখিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে।

About

Popular Links