Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বসলো পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান

ফলে বর্তমানে সেতুটির ৪.৮০ কিলোমিটার দৃশ্যমান

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২০, ০১:২৫ পিএম

দুই দিনের প্রচেষ্টায় দীর্ঘ চার মাস পর অবশেষে রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে বসলো পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান। এর আগে সর্বশেষ ৩১তম স্প্যানটি গত ১০ জুন স্থাপন করা হয়। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ১-ডি নম্বরের এই স্প্যানটি মাওয়া প্রান্তে পিয়ার-৪ ও পিয়ার-৫ এর উপর স্থাপন করার পর সেতুর ৪.৮০ কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এ খবর নিশ্চিত করেন।

শনিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় অবস্থিত কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে স্প্যানটি বহন করে পৃথিবীর সবচয়ে বড় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই রওনা দেয়। নদীর স্রোত অনুকূলে না থাকায় ক্রেনের নোঙর করতে অসুবিধা হয় এবং স্প্যানটি 'পজিশনিং' করতে না পারায় তা স্থাপন করা যায়নি।

 নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, ৩২তম স্প্যান বসানোর পর সেতুর ৪.৮০ কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো। আর মাত্র নয়টি স্প্যান বাকি থাকলো। তার মধ্যে আটটি স্প্যান প্রস্তুত রয়েছে। ৩২টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়া প্রান্তে স্থাপন করা হয়েছে ১১টি, মাঝের স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে একটি ও জাজিরা প্রান্তের ২০টি স্প্যানের সবক’টি স্থাপন করা হয়েছে।

এদিকে, ৩০তম স্প্যান বসানোর ১১ দিনের মাথায় ৩১তম স্প্যান বসানো হয়েছিল গত ১০ জুন। কিন্তু, ৩২তম স্প্যান বসানো হলো দীর্ঘ চার মাস পর। এ ব্যাপারে প্রকৌশলীরা জানান, অক্টোবরের প্রথম দিকে সবক'টি স্প্যান বসানো শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, বর্ষা মৌসুমে পদ্মার পানি ৬ মিটারের বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যায়। তীব্র স্রোতে ভাসমান ক্রেন নোঙর করতে অসুবিধা হয়। এতে সিডিউল অনুযায়ী স্প্যান বসানো যায়নি।

তবে, প্রকৌশলীরা আশা করছেন আগামী ডিসেম্বর নাগাদ সবগুলো স্প্যান বসানোর কাজ সম্পূর্ণ করা যাবে। ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত এই প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮১ দশমিক ৫০ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮৭.৫৫%। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ২৩,৭৯৬.২৪ কোটি টাকা।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।


01933338731

About

Popular Links