Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ধর্ষণ: সবোর্চ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বিল পাস

বিলে একইসঙ্গে ধর্ষণের শিকার ও অভিযুক্তের ডিএনএ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার বিধান অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২০, ১০:১০ পিএম

ধর্ষণের সবোর্চ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান করে জাতীয় সংসদে “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০২০” পাস করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিলে বিদ্যমান আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিধানের স্থলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিলে ধর্ষণের শিকার ও অভিযুক্তের ডিএনএ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার বিধান অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। 

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। ৭১ বিধিতে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, নারী ও শিশু ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ। নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের মধ্যে দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটন সামাজিক গতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ও সার্বিক সামাজিক উন্নয়নের ধারা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এমন অপরাধ দমনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এমতাবস্থায় আইনে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান যুক্ত করে এই বিলটি আনা হয়েছে।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি আলোচিত ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। আন্দোলনকারীরা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি জানান। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার আইনটি সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়। 

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করেন। এ অধ্যাদেশের আইনি ধারাবাহিকতায় এ বিলটি পাস করা হয়েছে। গত ৮ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির জারি করা অধ্যাদেশটি সংবিধান অনুযায়ী সংসদে উত্থাপন করা হয়।

এছাড়া সংসদে আকাশ পথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) বিল, ২০২০ পাস করা হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।

বিল দুটি পাসের প্রক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, পীর ফজলুর রহমান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, বেগম রুমিন ফারহানা এবং স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

About

Popular Links