Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মিটার চুরি করে বিকাশ নম্বর রেখে যাচ্ছে চোরেরা

বিকাশ নম্বরে যোগাযোগ করলে চোর সিন্ডিকেটের সদস্যরা ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আবার ওই মিটার ফেরত দিচ্ছে

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৩৩ পিএম

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় অভিনব কায়দায় বিদ্যুতের মিটার চুরির হিড়িক পড়েছে। শুধু তাই নয়। মিটার চুরি করে সেখানে রেখে যাওয়া হচ্ছে চিরকুট। আর চিরকুটে লেখা বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে টাকা নিয়ে মিটার পুনরায় ফেরত দিচ্ছে চোরেরা।

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৫টি বিদ্যুতের মিটার চুরি হয়েছে। প্রতিটি মিটার চুরির পর ঘটনাস্থলে বিকাশ নম্বর লেখা কাগজ রাখা হয়। পরে ওই বিকাশ নম্বরে যোগাযোগ করলে চোর সিন্ডিকেটের সদস্যরা ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আবার ওই মিটার ফেরত দিচ্ছে। চুরি হওয়া প্রতিটি মিটারের দাম ১৪ থেকে ১৮হাজার টাকা। বিশেষ করে ৩ ফেজের শিল্প বা সেচের মিটারগুলো বেশি চুরি হচ্ছে।

ভুক্তভোগী ভবাণীপুরের গ্রাহক শাফিকুল ইসলাম বলেন, “আমার মিটার কিছু দিন আগে চুরি হয়ে গেছে। মিটার যদি প্রায় চুরি হয় তাহলে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতির সন্মুখীন হতে হয়।” 

উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের সহকারি জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) সাইদী সবুজ খাঁন বলেন, “একই রাতে চারটি মিটার চুরির পর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছি। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের কোনো জোরালো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চিরকুটে লেখা বিকাশ নম্বর ট্যাকিং করে পুলিশ ওই সিন্ডিকেটের চোরদের খুঁজে বের করতে পারে।”

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল হক বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে গ্রাহকদের সচেতন করার উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু গ্রাহক নয় সবাইকে সচেতন হতে হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত চোরদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার।

 

About

Popular Links