Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘আইজ খুব ঠান্ডা বাহে’

‘চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শেষ পর্যন্ত জেলায় একাধিক শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সে সময় তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাবে’

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৩০ এএম

‘আইজ খুব ঠান্ডা বাহে, জটিল ঠান্ডা! রাইতোত আরও বেশি আছিল, শীতত ( কুয়াশায়) কিছুই দেখা যায় না’, এলাকার শীতের অবস্থা নিয়ে এভাবেই জানাচ্ছিলেন কুড়িগ্রাম সদরের মোঘলবাসা ইউনিয়নের ধরলা অববাহিকার নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা মোখতার হোসেন। 

জেলার রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার (কৃষি ও সিনপটিক) জানায়, বুধবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় কুয়াশার পরিমাণ বেড়েছে। 

গত কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কুয়াশার পরিমাণের সাথে জেলায় শীতের তীব্রতাও ক্রমশ বাড়ছে। রাতের বেলা কুয়াশায় চারদিক আচ্ছন্ন হয়ে গেলেও দিনের আলোয় বেলা গড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা অনেকটাই সহনীয় হয়ে পড়ে। তবে রোদের তীব্রতা কম।

এদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। শীতের আগমনে জেলার বিভিন্ন বাজার ও সড়কের পাশে জমে উঠেছে মৌসুমী কাপড়ের ব্যবসা। মানুষজন শীতের কাপড় কিনতে দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। 

ক্রোকারিজ ও হার্ডওয়্যার দোকানগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীত বাড়তে থাকায় চাহিদা বেড়েছে ইলেক্ট্রিক কেটলি (ওয়াটার হিটার) ও গিজারের। ব্যস্ততা বেড়েছে ধনুকারদেরও (লেপ-তোষক-জাজিম তৈরি করে যে সম্প্রদায়)। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছে।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক সুবল চন্দ্র বলেন, “কুয়াশার পরিমাণ বাড়তে থাকলেও শৈত্য প্রবাহ নেই। তবে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শেষ পর্যন্ত জেলায় একাধিক শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সে সময় তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাবে।”

About

Popular Links