Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অন্তঃসত্ত্বাকে তুলে নিয়ে ছাত্রদল নেতার লাথি, সন্তান নষ্ট

বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৬:৫২ পিএম

বগুড়া শহরে শাপলা বেগম (২৫) নামের এক অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হাসান দারুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এতে ওই নারীর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।  

গতকাল সোমবার শাপলার শাশুড়ি শহরের চেলোপাড়া এলাকার সুলতানা বেগম চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা জানায়, শহরের চেলোপাড়া এলাকার শাফি আহমেদ স্থানীয় ‘অগ্রগতি বহুমুখি সমিতি’ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঋণ নেন। এ সমিতির মালিক ছাত্রদল নেতা দারুনের স্ত্রী কুলসুম। শাফি সুদসহ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও সমিতির লোকজন তার কাছে আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। 

টাকা না দেওয়ায় সমিতির লোকজন গত ১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে শাফি আহমেদের বাড়িতে যান। তার অনুপস্থিতিতে বাড়ির আসবাবপত্র বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। তখন শাফির স্ত্রী শাপলা বাধা দিলে তাকে ছাত্রদল নেতা রবিউল হাসান দারুনের বাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে কিলঘুষি ও লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এসময় দারুন ওই গৃহবধুর পেটে লাথি দেন। 

লাথির আঘাতে প্রচুর শাপলার অনেক রক্তক্ষরণ হয় এবং তার গর্ভের তিন মাসের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। শাপলা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

পরে শাপলার শাশুড়ি গতকাল সোমবার সদর থানায় ছাত্রদল নেতা রবিউল হাসান দারুন ও তার স্ত্রী কুলসুম, ভাই আন্দালিব ও ভগ্নিপতি বারিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। 

তদন্তকারী কর্মকর্তা নারুলী ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল হাই জানান, আসামি দারুন আত্মগোপন করেছেন। এ ছাড়া তার স্ত্রীসহ অপর তিন আসামি আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। 

অভিযুক্ত দারুনের মোবাইল ফোন বন্ধ ও তিনি বাড়িতে না থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

About

Popular Links