Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

১০ বছরেও শেষ হয়নি খুলনা-মংলা রেললাইন, ব্যয় বেড়েছে তিনগুণ

এ পর্যন্ত ৩ দফা সময় বাড়ানো হয়েছে। রেলপথ নির্মাণে প্রথম ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। এখন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮০১ কোটি টাকা

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৪২ পিএম

মংলা বন্দর থেকে সড়কপথে যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে খুলনা পর্যন্ত ৬৫ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১০ সালে।  কিন্তু ১০ বছর পার হলেও এখনও শেষ হয়নি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ। 

জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, যথা সময়ে মালামাল সরবরাহ না হওয়া, রূপসা নদীর উপর রেলের সেতু নির্মাণে দেরি হওয়া, জলপাইগুঁড়ি থেকে আনা রেললাইনের স্লিপার বাতিল হওয়াসহ নানা কারণে এ সময় ক্ষেপণ হয়। 

জানা যায়, রেলপথ নির্মাণে প্রথম ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। এখন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮০১ কোটি টাকা। 

এ পর্যন্ত ৩ দফা সময় বাড়ানো হয়েছে। জানুয়ারি পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৭৫%। প্রকল্পের ২৫% কাজ এখনও বাকি। 

খুলনা-মংলা রেল লাইনের দ্বিতীয় প্যাকেজের জন্য জলপাইগুঁড়ি থেকে আনা স্লিপার ব্যবহার অযোগ্য বলে প্রতিবেদন দিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। মানহীন পণ্য ব্যবহার করা হবে না বলে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সাফ জানিয়ে দিয়েছে। ফলে এ রেল লাইনের কাজ শেষ হতে আরও একটু বিলম্ব হতে পারে। 

আইএমইডি এ প্রকল্পের নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং করছে। কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে গতি বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারদের আইটিসি পরিষদ ও পরামর্শকদের বিল পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

আইএমইডি এর সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী জানান, "জনগণের টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার ও দক্ষতার মাধ্যমে মান সম্পন্ন প্রকল্প সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।"

ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টু ব্রো-এলটি লিমিটেড স্লিপারস সরবরাহের দায়িত্ব পালন করছে। 

প্রকল্পের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, "আইএমইডি’র পরিবীক্ষণ সমীক্ষা শেষে তথ্য দেয়া হয়েছে, জলপাইগুঁড়ি থেকে আনা স্লিপার এই রেল লাইনে ব্যবহারের উপযোগী নয়।"

তিনি বলেন, "প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ও নকশা প্রণয়নের জন্য ব্যয় বেড়েছে। প্রকল্পের কার্যক্রমে পাইলিং-এ জটিলতা মেটাতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। ৮টি স্টেশনের মধ্যে আড়ংঘাটা ও মোহাম্মদনগর স্টেশনের ছাদ শেষ হয়েছে। অন্যান্য স্টেশনের পাইলিং এর কাজ চলছে। ট্র্যাক নির্মাণ ও সিগন্যাল লাইনের কাজ এখনও শুরু হয়নি।" 

এছাড়া অনভিজ্ঞ সাব-কন্ট্রাক্টর নিয়োগের ফলে কাজের দীর্ঘসূত্রতা বাড়ছে বলেও জানান তিনি।

About

Popular Links