Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দুপুরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন, বিকালে দাফন

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর, চিকিৎসকরা সৈয়দ আবুল মকসুদকে মৃত ঘোষণা করেন

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:২৬ পিএম

কলামিস্ট, প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদের মরদেহ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকলের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। এরপর বিকালে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার ছেলে সৈয়দ নাসিফ মকসুদ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বিকালে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল আবুল মকসুদকে। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাসিফ মকসুদ জানান, বুধবার বেলা আড়াইটায় তার বাবার কফিন স্কয়ার হাসপাতাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে নেওয়া হবে। সেখানে সাংবাদিকরা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর জানাজায় অংশ নেবেন।

এরপর আবুল মকসুদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে নাগরিকদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার আরেক দফা জানাজা হবে। বিকালে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ আবুল মকসুদ। ১৯৬৪ সালে এম আনিসুজ্জামান সম্পাদিত সাপ্তাহিক নবযুগ পত্রিকায় তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি সমর্থিত সাপ্তাহিক “জনতা”য় কাজ করেন কিছুদিন। ১৯৭১ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ বার্তা সংস্থায়। ২০০৮ সালের ২ মার্চ তিনি সেখানকার সম্পাদকীয় বিভাগের চাকরি ছেড়ে দেন।

পত্রিকায় “সহজিয়া কড়চা”ও “বাঘা তেঁতুল” শিরোনামে কলাম লিখে পরিচিত পান সৈয়দ আবুল মকসুদ। তার সাহিত্যচর্চার শুরু হয় ষাটের দশকে, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ দিয়ে।

১৯৮১ সালে তার কবিতার বই “বিকেলবেলা” প্রকাশিত হয়। ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ “দারা শিকোহ ও অন্যান্য কবিতা”। মানবাধিকার, পরিবেশ, সমাজ ও প্রেম নিয়েও তিনি লিখেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে তার পর্যবেক্ষণ এসেছে পত্রিকায় প্রকাশিত তার কলামগুলোতে।

আবুল মকসুদের লেখা বইয়ের সংখ্যা ৪০এর বেশি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

About

Popular Links