Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মা আওয়ামী নেত্রী, খালেদা জিয়াকে মা ডাকেন ছাত্রদল নেতা

‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় আমি আমার মাকে মা ডাকি না। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াই এখন আমার মা’

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২১, ০২:৫০ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ওই কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে একই উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর ছেলেকে। এ নিয়ে উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আলোচনা ও সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক জুড়ে। 

নব ঘোষিত ২১ সদস্যের কমিটির ১৫ সদস্য ইতোমধ্যে পদত্যাগ চেয়ে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বরাবর চিঠি দিয়েছে। পদত্যাগ চাওয়া নেতাদের অভিযোগ, আহ্বায়ক আওয়ামী লীগের নেত্রীর ছেলে, তিনি বিবাহিত। অন্যদিকে, সদস্য সচিব ঢাকায় বসে আদম ব্যবসা করেন।

জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সরাইল উপজেলা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বেবি ইয়াছমিনের ছেলে এম রিফাত বিন জিয়াকে সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেত্রীর ছেলেকে ছাত্রদলের কমিটিতে রাখায় দলটির অন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

তবে রিফাত বিন জিয়া বলছেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় তিনি তার মাকে “মা” বলে ডাকেন না। এখন জিয়া পরিবার তার পরিবার।

নিজেকে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভের বিষয়ে জানতে চাইলে রিফাত বিন জিয়া বলেন, “আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় আমি মাকে মা ডাকি না। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াই এখন আমার মা। আমার বাবা ১৯৭৯ সাল থেকে বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছাত্রদলকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করতেই আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।”

রিফাতের মা বেবী ইয়াছমিন বলেন, “আমার ছেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকায় থেকে পড়াশোনা করে। আমার সঙ্গে তেমন একটা যোগাযোগ হয় না।”

ছেলে আপনাকে মা ডাকেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সে আমার কাছে কম আসে। কাছে না এলে কীভাবে ডাকবে?”

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল চৌধুরী বলেন, “কমিটি নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ২১ সদস্যের কমিটির মধ্যে এই পর্যন্ত ১৫ জন কমিটি থেকে পদত্যাগ চেয়ে পত্র জমা দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় কমিটি সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটির অনুমোদন দিয়েছে। পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া ১৫ জন সদস্যের অভিযোগ ইতোমধ্যে আমি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। লিখিতভাবে জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। এরপর কেন্দ্রীয় কমিটি পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।”

About

Popular Links