Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সৈকতে বালুর ভাস্কর্যে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস

সৈকতে নির্মিত বালুর ভাস্কর্যটি দেখতে ইতোমধ্যে ভিড় করতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ পর্যটক ও নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২১, ০৪:৪০ পিএম

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও  জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে নির্মাণ করা হয়েছে বালুর ভাস্কর্য। 

সৈকতের জিরোপয়েন্টের কোলঘেঁষে পূর্বপাশে প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রশস্ত এ ভাস্কর্যে রয়েছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা, ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলন ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

পটুয়াখালী জেলা পুলিশের উদ্যোগে নির্মিত এ ভাস্কর্যটি ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে উদ্বোধনের পর ২৬ মার্চ পর্যন্ত ১০ দিন প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।  

খুলনা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ৬ শিক্ষার্থী গত ৯ মার্চ মঙ্গলবার থেকে দিন-রাত পরিশ্রম করে ইতোমধ্যে বালু দিয়ে ভাস্কর্যটি ফুটিয়ে তুলেছেন। বাম দিকে '৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ডান পাশে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন দিয়ে শেষ করা হয়েছে। এর মধ্যখানে বাংলাদেশের মানচিত্রের ভেতর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বসানো হয়েছে।

ভাস্কর্যের নিচের দিকে বালু দিয়ে লেখা রয়েছে- “রক্ত দিয়ে নাম লিখেছ”, “আমার সোনার বাংলা”, “জয় বাংলা”, “আমার মায়ের ভাষা”, “রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই”  ইত্যাদি। প্রথমবারের মতো কুয়াকাটা সৈকতে নির্মিত বালুর ভাস্কর্যটি দেখতে ইতোমধ্যে ভিড় করতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ পর্যটক ও নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকার লালবাগ থেকে কুয়াকাটায় বেড়াতে যাওয়া পর্যটক লায়লা আঞ্জুমান বলেন, “প্রতি বছরই এখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আসা হয়। আগে যা দেখেছি তা নষ্ট হয়ে গেছে। এবার এসে দেখলাম সৈকতে বালু দিয়ে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছে; যা এ প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস নতুন করে জানতে সাহায্য করবে।”

ভাস্কর্য দেখতে যাওয়া স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুস সাত্তার ফরাজী বলেন, “ভাস্কর্যে '৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরার বিষয়টি খুবই ভালো লেগেছে। বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানার আগ্রহ সৃষ্টি হবে।”

ভাস্কর্য নির্মাতা দলের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী সানি কুমার দাস নিলয় বলেন, “বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে রাজশাহী ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমরা ছয়জন শিক্ষার্থী দিন-রাত সমানতালে পরিশ্রম করে এ ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ শেষ করেছি।”

About

Popular Links