Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মিতা হক আর নেই

রবিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৯:১৩ এএম

বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই।রবিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে তিনি রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মিতা হকের স্বজন শিল্পী সোহরাব উদ্দিন বলেন, গত ৩১ মার্চ  মিতা হক করোনাভাইরাস আক্রান্ত হন। এরপর তিনি নেগেটিভ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে আসেন। 

মিতা হক দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি ডায়ালাইসিস করাচ্ছিলেন। সম্প্রতি তিনি করোনা থেকে সেরে ওঠেন। তবে শনিবার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাকে বাংলাদেশ স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সকালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজই কেরানীগঞ্জে তাকে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে শায়িত করা হবে। এর আগে বেলা ১১টায় ছায়ানটে নেওয়া হবে মরদেহ। 

কেরানীগঞ্জে মিতা হকদের আদি বাড়িতে তার দাফন হবে। তবে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

১৯৬৩ সালে জন্ম নেওয়া মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলা বাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করেছেন। তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন। 

অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন খালেদ খান। এফারহিন খান জয়িতা নামে এক সন্তান রয়েছে।

২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন মিতা হক। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিতা হককে বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০২০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

About

Popular Links