Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

১১ দিনে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ২,২০৩ জন

এদেরমধ্যে ১১ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে

আপডেট : ০৭ মে ২০২১, ০৮:০৩ পিএম

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর ১১ দিনে বেনাপোল হয়ে দেশে ফিরেছেন মোট ২,২০৩ জন। এদের প্রত্যেককেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এরমধ্যে ১১ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে। আরও ১০ জনকে হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ভারত থেকে ১৩ জনের লাশ এসেছে।     

যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী মো. সাইমুজ্জামান জানান, এ পর্যন্ত আসা ভারত ফেরতদের মধ্যে বেনাপোলের ১৩ স্থানে ৪১৯ জন, ঝিকরগাছার ১টি স্থানে ১৩৫ জন, যশোর সদরের ৭টি স্থানে ৩৬৬ জনসহ সমগ্র যশোরে ১০৭৫, খুলনায় ৪৪৫ জন, ঝিনাইদহে ১৬১, সাতক্ষীরায় ২৩০ জন ও নড়াইলে ১০১ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।    

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, বাংলাদেশ সরকার ভারতের করোনাভাইরাসের নতুন ভেরিয়েন্ট সংক্রমণরোধে ২৬ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এতে করে ভারতে আটকা পড়ে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীরা। আটকা পড়াদের নিজ দেশে ফিরতে কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি নিয়ে ও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আরটিপিসিআর ল্যাবের করোনা টেস্টের সনদ নিয়ে দেশে ফেরার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ সরকার। 

তিনি জানান, ভারত থেকে আসা যাত্রীদের বেনাপোলে বিভিন্ন হোটেল, ঝিকরগাছা গাজিরদরগা এতিম খানায় ও যশোরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। যেসব যাত্রী করোনায় আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে দেশে ফিরছেন তাদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে করোনা ইউনিটে পাঠানো হচ্ছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের অফিসার ডা. আশরাফুজজামান জানান, করোনা সংক্রমণরোধে বাংলাদেশ সরকার ১৪ দিন ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে যারা ভারতে আটকা পড়েছে শুধুমাত্র তারাই কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি নিয়ে দেশে ফিরছেন। এছাড়া সেসব পাসপোর্ট যাত্রীরা দেশে ফিরছেন তাদের বাধ্যতামূলক বেনাপোলের কয়েকটি আবাসিক হোটেল, ঝিকরগাছার গাজিরদরগা এতিমখানায় ও যশোরের বিভিন্ন হোটেলের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে।

About

Popular Links