Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বগুড়ায় ছাগলকাণ্ড: বদলি করা হলো ইউএনওকে

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাকে ঢাকায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটে ন্যস্ত করা হয়েছে

আপডেট : ০৯ জুন ২০২১, ০৮:৩১ পিএম

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ফুলগাছ খাওয়ার অভিযোগে ছাগলের মালিককে দুই হাজার টাকা জরিমানার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সীমা শারমিনকে বদলি করা হয়েছে। 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাকে ঢাকায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটে ন্যস্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বদলির আদেশ সংক্রান্ত একটি চিঠি মঙ্গলবার (৮ জুন) পাঠানো হয়েছে।  বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উজ্জ্বল কুমার ঘোষ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খান রাজু জানিয়েছেন, তিনিও ইউএনওর বদলির কথা শুনেছেন।

তবে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সীমা শারমিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ১৭ মে উপজেলা পরিষদের বাগানের ফুল খাওয়ার অপরাধে ছাগল আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও। তিনি ছাগল মালিকের অনুপস্থিতে এই জরিমানা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে এ বিষয়টি “ভাইরাল” হয়। 

পরে জরিমানার টাকা দিতে না পারায় ৯ দিন আটকে রাখার পর মালিক সাহারা বেগমকে না জানিয়ে ছাগলটি পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ছাগল মালিক সাহারা বেগম গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, তিনি আদমদীঘি উপজেলা পরিষদ চত্বরের ডাকবাংলো সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করেন। ১৭ মে তার ছাগলটি হারিয়ে যায়। অনেক জায়গায় তিনি ছাগলটির সন্ধান করেন। এ সময় এলাকার লোকজন তাকে জানায়, ছাগলটি ইউএনও'র এক নিরাপত্তাকর্মীর নিকট রয়েছে। তিনি ইউএনও'র বাসার পাশে গিয়ে এক নিরাপত্তাকর্মীকে ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে দেখে  ছাগল নিতে চাইলে তাকে ছাগল দেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয় ওই নিরাপত্তাকর্মী। 

পরবর্তীতে এই বিষয়টি গণমাধ্যমে আলোচনায় আসলে গত ২৭ মে জরিমানার টাকা ইউএনও নিজে পরিশোধ করে ছাগল সাহারা বেগমের কাছে ফিরিয়ে দেন। 

সে সময় ইউএনও বলেছিলেন, “উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খান, স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ওই নারীকে ছাগল ফেরত দেওয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা আমি দিয়েছি। তাকে সংশোধনের জন্য জরিমানা করেছিলাম, শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়।”

ছাগল বিক্রির অভিযোগও  সত্য নয় বলে তিনি দাবি করছিলেন।

About

Popular Links