Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিলছে না সেবা

৯ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ১ জন 

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২১, ০৯:৫৪ এএম

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক, জনবল ও সরঞ্জামাদির সংকটের কারণে সেবা না পেয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে রোগীদের। বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। চিকিৎসা পেতে যেতে হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ৯ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ১ জন কনসালটেন্ট (গাইনি)। এছাড়া সার্জারি, মেডিসিন, অর্থোপেডিক্স, অ্যানেসথেসিয়া, চক্ষু, ইএনটি, চর্ম ও যৌন এবং কার্ডিওলজির জুনিয়র কলসালটেন্ট পদ শূন্য হয়ে রয়েছে। এই আটটি সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীদের বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে। ফলে হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের রোগীরা আর্থিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া ওয়ার্ড সার্ভিসে ওয়ার্ড বয় দুই জন, নার্স এক জন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী তিন জনের পদ শূন্য রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হওয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে।

হাসপাতালের আসাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার পাল বলেন, “চিকিৎক ও জনবল সংকট থাকার কারণে অনেক সময় আমাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হিমশিম খেতে হয়। তবুও যতটুকু সম্ভব আমাদের মেডিকেল অফিসারদের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছি।”

তিনি বলেন, “চিকিৎক ও জনবল সংকটের পাশাপাশি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এক্স-রে মেশিন নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এক্স-রে করানোর জন্য রোগীদের বাইরে পাঠাতে হয়। বর্তমানে সারা দেশের ন্যায় পাংশা উপজেলাতেও করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বেড়েছে। প্রাথমিকভাবে ১০টি শয্যা বৃদ্ধি করে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।”

তরুণ কুমার পাল আরও বলেন, “বর্তমানে করোনা সাসপেকটেড (আইসোলেশন) শয্যা ২০টি, করোনা পজিটিভ শয্যা ১৫টি ও সাবাধারণ শয্যা ২৫টি। হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা রয়েছে ১টি এবং ইলেকট্রিক অক্সিজেন মেশিন রয়েছে ১০টি। এভাবে করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকলে অক্সিজেন সংকটে পড়তে হবে আমাদের। এতে করে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া কষ্টসাধ্য হবে।”

About

Popular Links