Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পরকীয়ার জেরে সৌদিফেরত স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীসহ ৪ জনের ফাঁসি

২০০৯ সালের ১৩ নভেম্বর প্রবাসী মো. শাহজাহান খান সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। এসে তিনি জানতে পারেন তার স্ত্রীর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। পরে এ নিয়ে প্রায়ই স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতো শাহজাহানের। এক পর্যায়ে ২০০৯ সালের ২ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের নিজ বাড়ীতে স্ত্রী কোহিনুর বেগম পরিকল্পিতভাবে সহযোগী আবুল খায়ের, গোলাপ মিয়া ও দোহা মিয়াকে নিয়ে স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন।

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৮, ০৪:৩৯ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর প্রবাসী শাহজাহান হত্যা মামলার রায়ে স্ত্রীসহ চার আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শেখ রাজিয়া সুলতানা এই রায় দেন।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, ২০০৯ সালের ১৩ নভেম্বর প্রবাসী মো. শাহজাহান খান সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। এসে তিনি জানতে পারেন তার স্ত্রীর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। পরে এ নিয়ে প্রায়ই স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতো শাহজাহানের। এক পর্যায়ে ২০০৯ সালের ২ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের নিজ বাড়ীতে স্ত্রী কোহিনুর বেগম পরিকল্পিতভাবে সহযোগী আবুল খায়ের, গোলাপ মিয়া ও দোহা মিয়াকে নিয়ে স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনার পর শাহজাহানের পিতা হাজী আবদুল বারি খান বাদী হয়ে পুত্রবধু কোহিনুর বেগমকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ নবীনগর থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দেয়। পরে কোহিনুর বেগম আদালতে ১৬৪ ধারায় অন্যান্য আসামিদেরকে  নিয়ে স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করেন।

দুই পক্ষের আইনজীবিদের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত কোহিনুর বেগম ও তার তিন সহযোগীকে মৃত্যুদন্ড দেন। উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ না থাকায় এই মামলায় অপর দুই আসামি-মোখলেছ ও আল আমীনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে আবুল খায়েরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিরা পলাতক অবস্থায় রয়েছেন রয়েছেন।

মামলার রায়ে বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট দ্বীন ইসলাম(এপিপি)  সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম আবদুল হাই জানান,তারা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে তারা আপিল করবেন।
 
 
 

About

Popular Links