Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাংলাদেশি ক্রেতার অভাবে কলকাতার ঈদ বাজারে মন্দা

প্রত্যেক বছর বাংলাদেশের অসংখ্য পর্যটক কেনাকাটা করতে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলকাতা যান

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২১, ০৫:২১ পিএম

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত বন্ধ। আর সীমান্ত বন্ধ থাকায় কলকাতার নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন বাজারে বাংলাদেশি ক্রেতার অভাবে বেচাকেনায় ব্যপক প্রভাব পড়েছে।

প্রত্যেক বছর বাংলাদেশের অসংখ্য পর্যটক কেনাকাটা করতে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলকাতায় যান। বিগত তিন ঈদের মতো এবারও বাংলাদেশি ক্রেতাদের পদচারণা না থাকায় একসময় বাংলাদেশিদের কারণে মুখর হয়ে উঠা কলকাতার বাজারগুলো এখন অনেকটাই ক্রেতাশূন্য। দেশের শীর্ষ জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক বছর ঈদ-উল-আজহা আসলেই বাংলাদেশি ক্রেতায় মুখর থাকতো এসব বাজার। তবে এবার অধিকাংশ বাজারই ফাঁকা। কলকাতার নিউমার্কেট, জাকারিয়া স্ট্রিট, পার্ক স্ট্রিট, সদর স্ট্রিটের দোকানপাটে নেই সেই চিরচেনা ভিড়। ধর্মতলা থেকে গড়িয়াহাট, শিয়ালদহ থেকে রাজাবাজার, বেলগাছিয়া-পার্ক সার্কাস থেকে এন্টালি খিদিরপুরসহ সর্বত্র একই চিত্র। বিক্রেতারা পণ্যের পসরা নিয়ে বসলেও সেভাবে আসছেন না ক্রেতারা। ফলে বেচা কেনা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেনে সেখানকার ব্যবসায়ীরা।

কাপড় ব্যবসায়ী ভূষণ গুপ্ত বলেন, “বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য আমাদের এই নিউমার্কেট এলাকার দোকানপাট টিকে আছে। শুধু দোকানপাট কেন এখানকার হোটেলপাড়াও টিকে আছে বাংলাদেশের পর্যটকদের হাত ধরে। তারাই আমাদের মূল ক্রেতা। এখন বাংলাদেশি ক্রেতা নেই। বেচা কেনা হচ্ছে না আমরাও হতাশ।”

শুধু বাজারগুলোই নয় হোটেল ব্যবসায়ও দেখা দিয়েছে মন্দা।

হোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশি পর্যটক না আসায় হোটেল ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসায়ও ধস নেমেছে।

প্রতিবছর ঈদের সময় বাংলাদেশি ক্রেতাদের ভিড়ে ঠাসা থাকা হোটেলপাড়া এখন সুনসান। এসব এলাকার আবাসিক হোটেল এখন কার্যত ফাঁকা। পর্যটক না থাকায় অধিকাংশ কর্মচারী ছুটিতে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। শুধু বাংলাদেশি নয়; ঈদের বাজার করতে ভারতের অন্য রাজ্যের মানুষও এবার কলকাতা আসেননি।

About

Popular Links