Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঘুষ নেওয়ার ছবি ভাইরাল, উপজেলা প্রকৌশলীকে বদলি

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ঘুষ গ্রহণের একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২১, ০৩:৪১ পিএম

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী এম এস আনোয়ারুল হককে ঘুষ না দিলে কোনো কাজই হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাননি। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ঘুষ গ্রহণের একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই নড়েচড়ে বসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। দাউদকান্দি থেকে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় বদলি করা হয় প্রকৌশলী আনোয়ারুলকে।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) বিকেলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশিদ খানের সই করা এক চিঠিতে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. কামরুল ইসলাম খান ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রকৌশলী এম এস আনোয়ারুল দাউদকান্দি উপজেলায় যোগদানের শুরু থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতেন এবং কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। ফাইলের সঙ্গে টাকা না দিলে দিনের পর দিন তিনি ফাইল আটকে রাখতেন। উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে অভিযোগ করলেও তিনি ঘুষ নেওয়া বন্ধ করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলার সুন্দরপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম বলেন, “প্রকৌশলী আনোয়ারুল হক দাউদকান্দিতে যোগদানের পর বিভিন্ন রাস্তাঘাট, কালভার্ট ও সেতুর কাজের সময় ঠিকাদার ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেন।”

ইউএনও মো. কামরুল ইসলাম খান বলেন,  “প্রকৌশলী এম এস আনোয়ারুল হকের বিরুদ্ধে পর পর দুইটি অভিযোগ এসেছে। আমরা ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের মৌখিক অভিযোগ দিয়েছি। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। সম্প্রতি টাকা নেওয়ার ছবি ফেসবুকে দেখেছি। কিছুক্ষণ আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশিদ খানের সই করা একটি মেইলে তার বলদি আদেশ দেওয়া হয়েছে।”

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত উপজেলা প্রকৌশলী এম এস আনোয়ারুল হকের মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমকর্মী পরিচয়ে এসএমএস পাঠালেও কোনো সাড়া দেননি তিনি।

About

Popular Links