Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাউন্সিলর মোর্শেদ তিন দিনের রিমান্ডে

টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সাবেক যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মোর্শেদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২১, ০৮:০৯ পিএম

টাঙ্গাইলের শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সাবেক যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মোর্শেদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। শুক্রবার (২০ আগস্ট) দুপুরে মোর্শেদকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসনাত শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার মোর্শেদের জন্য তার আইনজীবী জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে দেন।

টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ বলেন, “চাঁদাবাজি মামলায় মোর্শেদকে গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশ মূলত অস্ত্র মামলায় রিমান্ড আবেদন করে। অন্যদিকে, মোর্শেদের আইনজীবী চাঁদাবাজি মামলায় জামিন আবেদন করেছেন। পরবর্তীতে বিচারক শুনানি শেষে অস্ত্র মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং চাঁদাবাজি মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।”

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) শামিম হোসেন বলেন, “সন্ত্রাসী মোর্শেদ তার দলের লোকজনকে নিয়ে চলাফেরা করতেন। তাই তার এবং তার সহযোগীদের কাছ আরও অস্ত্র থাকতে পারে। এ কারণে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল।”

তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যা মামলাসহ ১০-১২টি মামলা রয়েছে। শনিবার থেকে মোর্শেদকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

চাঁদাবাজি মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর টাঙ্গাইল পৌরসভার সামনে থেকে মোর্শেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে দু’টি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন এবং ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। 

এর আগে বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল পৌর শহরের সাবালিয়া এলাকার আশিকুর রহমান আশিক নামে এক ব্যক্তি মোর্শেদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় পাঁচ লাখ টাকার চাঁদাবাজি মামলা করন। ওই মামলায় আতিকুর রহমান মোর্শেদ ছাড়াও আরও পাঁচজনকে আসামী করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করেন। আতিকুর রহমান মোর্শেদ টাঙ্গাইলের শীর্ষ সন্ত্রাসীর মধ্যে অন্যতম। সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুসহ নানা অপকর্ম করে আসছিল। পুলিশের হাতে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাদণ্ড ভোগ করেছেন। তবে জেল থেকে বের হয়েই আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জরিয়ে পড়েন।

About

Popular Links