Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পাওনা টাকা দিতে দেরি করায় খুন হন ব্যবসায়ী দেলোয়ার

বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লার ময়নামতি টিপরা বাজারের একটি সেলুন থেকে ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২১, ০৮:১৩ পিএম

কুমিল্লার ময়নামতিতে ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার লক্ষণ চন্দ্র শীল আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছে। সোমবার (২৩ আগস্ট) বিকলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান উর্মির আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়। 

জবানবন্দীতে ঘাতক লক্ষণ চন্দ্র শীল জানিয়েছে, দেলোয়ারের কাছে পাওনা ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করতে দেরি করায় সে তাকে হত্যা করেছে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল। 

আদালত ও পিবিআই সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে জেলার মনোহরগঞ্জ থেকে ঘাতক লক্ষণ চন্দ্র শীলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ির পাশে মাটির নিচে থেকে ভিকটিম দেলোয়ারের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। 

নিহত দেলোয়ার হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল এলাকার জাহের আলীর ছেলে। তিনি জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের ফরিজপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। ঘাতক লক্ষণ চন্দ্র শীল জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আমতলী এলাকার সুধীর চন্দ্র শীলের ছেলে। 

পিবিআই কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, দেলোয়ার হোসেনের নিকট সেলুন মালিক লক্ষণ চন্দ্র ৩ লাখ টাকা পাওনা ছিল। কিন্তু টাকা পরিশোধ করতে দেলোয়ার বিলম্ব করায় এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ঘটনার রাতে দেলোয়ার সেলুনে আসলে লক্ষণ তার শরীর প্রায় এক ঘন্টা ধরে মাসাজ করে। রাত গভীর হলে একপর্যায়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বস্তায় ভর্তি করে মরদেহ সেলুনে রেখে সে পালিয়ে যায়। 

তিনি আরও বলেন, এ হত্যাকান্ডে আর কেউ জড়িত ছিল কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ময়নামতি টিপরা বাজারের একটি মার্কেটে লক্ষণ হেয়ার কাটিং নামে এক সেলুনে কুপিয়ে খুন করা হয় ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনকে। শুক্রবার রাতে সেলুনের তালা ভেঙ্গে বস্তাভর্তি অবস্থায় রাখা দেলোয়ারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।

About

Popular Links