Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যাচ্ছে পায়েল হত্যা মামলা

চলতি মাসের ৪ অক্টোবর পায়েল হত্যা মামলার চার্জশীট দেওয়া হয়েছে।

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০১৮, ১২:২৭ পিএম

নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান পায়েল হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেলা চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মামলা বিষয়ক মনিটরিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, "চলতি মাসের ৪ অক্টোবর পায়েল হত্যা মামলার চার্জশীট দেওয়া হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্ত্বে চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মামলা বিষয়ক মনিটরিং কমিটির সভায় পায়েল হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বর্তমানে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হবে। তাদের যাচাই বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে"।

মামলার বাদী পায়েলের মামা গোলাম সারওয়ার্দী বলেন, "কয়েক দফায় চট্রগ্রাম থেকে মুন্সীগঞ্জ এসে মামলাটি যাতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যেতে পারে তার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আমরা জেনেছি মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যাবে"।

২১ জুলাই রাত সোয়া ১০টার দিকে হানিফ পরিবহনের বাসে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন পায়েল। ভোর ৪টার দিকে পথে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে বাস যানজটে আটকা পড়ে। এসময় পায়েল বাস থেকে নেমে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যান। এরইমধ্যে বাস ছেড়ে দিলে পায়েল দৌড়ে বাসে উঠার চেষ্টা করলে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান। এসময় বাসের চালক, সুপারভাইজার ও চালকের সহকারী ঝামেলা এড়াতে পায়েলকে ব্রিজের উপর থেকে নদীতে ফেলে দেয়। ২৩ জুলাই সোমবার পায়েলের মরদেহ উদ্ধার করে গজারিয়া পুলিশ। 

২৪ জুলাই পায়েলের মামা গোলাম সারোয়ারদী বিপ্লব বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় বাসচালক জামাল, সুপারভাইজার জনি ও হেলপার ফয়সালকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় ২৫ জুলাই আটক করা বাসের সুপারভাইজার জনি(৩৮) ও চালক জামাল হোসেন(৩৫) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

About

Popular Links