Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বগুড়ার তিন উপজেলায় ৬৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী

ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন মাটি ভর্তি বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫৮ পিএম

বগুড়ায় উজান থেকে নেমে আসা ঢলে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি এখনও অব্যাহত রয়েছে। 

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল পর্যন্ত সারিয়াকান্দি উপজেলার মথুরাপাড়া পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বগুড়া জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা কার্যালয়ের একটি সূত্র। 

এদিকে, বন্যার পানি নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলে প্রবেশ করায় সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় অন্তত ৬৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী দিনযাপন করছেন।

কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তীরবর্তী সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৯৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ১৬ হাজার ৩২০টি পরিবার। একই সঙ্গে তলিয়ে গেছে ৩৪৭ হেক্টর জমির ফসল।

স্থানীয়রা জানান, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সারিয়াকান্দি উপজেলার চালুয়াবাড়ি, কাজলা, কর্ণিবাড়ি, বোহাইল, হাটশেরপুর, চন্দনবাইশা, কামালপুর, কুতুবপুর ও সদর ইউনিয়নে বেশি ক্ষতি হয়েছে। 

তাছাড়া, কামালপুর ইউনিয়নের রৌহদহ থেকে ইছামারা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ মাটির বাঁধ ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন মাটি ভর্তি বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মিয়া জানান, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের ১২ হাজার ৭০০ পরিবারের ৫০ হাজার ৮০০ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। দূর্গত এলাকায় ১৭০ মেট্রিক চাল বিতরণ করা হয়েছে।

About

Popular Links