Friday, June 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টাঙ্গাইলে ৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

ভাঙনের ফলে ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী এলাকায় তিন শতাধিক বসতভিটা, রাস্তাসহ নানা স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪২ পিএম

টাঙ্গাইল জেলায় যমুনা, ধলেশ্বরী এবং ঝিনাই নদীর পানি কমলেও বেড়েছে বংশাই নদীর পানি। তবে এখনও এই চারটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে, জানা গেছে। 

পানিবৃদ্ধির ফলে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আগের চাইতে পানি কিছুটা কমলেও কমেনি বানভাসী মানুষের দুর্ভোগ। 

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর), যমুনা নদীর পানি ২৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার, ঝিনাই নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার কমে ৭৬ সেন্টিমিটার এবং ধলেশ্বরী নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

কিন্তু, বংশাই নদীর পানি ৪ সে.মি. বেড়ে বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, পানি কমতে থাকায় বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী এলাকায় তিন শতাধিক বসতভিটা, রাস্তাসহ নানা স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এমনকি, কাঁচা-পাকা রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এছাড়াও, ৯৮০ হেক্টর রোপা আমন বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। আগামী ১৫ সেপ্টম্বর এর মধ্যে পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত ৫০ ভাগ রোপা আমনের ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে বলে জানায় কৃষি বিভাগ। 

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি কমতে থাকলে নদী ভাঙন আরও বাড়বে।

টাঙ্গাইল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সাহা বলেন, “ইতোমধ্যে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২১২টি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। বন্যা দুর্গতদের জন্য ৪০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বানভাসী সবাইকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।”

About

Popular Links