Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টাঙ্গাইলের ২৬০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ও মাঠে বন্যার পানি

প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রবিবার খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু টাঙ্গাইলের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি থাকায় প্রথমদিনের পাঠদান দিয়ে দুশ্চিন্তায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৬ পিএম

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে আনন্দ বিরাজ করছে শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে। কিন্তু টাঙ্গাইলের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি থাকায় প্রথমদিনের পাঠদান দিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এদিকে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিকল্প পদ্ধতিতে পাঠদান নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, জেলায় এক হাজার ৬২৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে। এ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৯৭ জন। এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এখনো (শনিবার পর্যন্ত) ১৫টি শ্রেণিকক্ষে পানি রয়েছে। আর ২৪৫টি বিদ্যালয়ে মাঠে পানি রয়েছে।

অপরদিকে মাধ্যমিক পর্যায়ে এক হাজার ১৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে ও শ্রেণিকক্ষে পানি উঠলেও বর্তমানে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি রয়েছে।

শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পানি উঠা ১৫টি বিদ্যালয়ে প্রথমদিন পাঠদান দিয়ে কিছুটা সংশ্রয় রয়েছে। কারণ শ্রেণিকক্ষ থেকে পানি না সরলে এসব বিদ্যালয়ে ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে না। অপরদিকে বিদ্যালয়ের মাঠে পানি থাকা ২৪৫টি প্রতিষ্ঠানে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল আজিজ বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পানি সরতে শুরু করেছে। তবে এখনো ১৫ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে ও ২৪৫টি মাঠে বন্যার পানি রয়েছে। শ্রেণিকক্ষের ভিতরে পানি থাকায় এ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রথমদিন পাঠদান নিয়ে সংশ্রয় রয়েছে। তবে পানি নেমে গেলে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সাথে সাথেই পাঠদান নেওয়া হবে। আর যদি পানি না নামে তাহলে ওই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান করানো হবে। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় বন্ধ ছিলো। আমরা চেষ্টা করছি প্রথমদিন যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলের অংশগ্রহণে সুন্দরভাবে ক্লাস পরিচালনা করার জন্য।

এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম বলেন, “জেলার বাসাইলে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার রয়েছে। যার ফলে বিকল্প পদ্ধতিতে ওই দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশেই পাঠদান করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া বাকি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি নিয়মে পাঠদান হবে। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিদ্যালয়ের আসার অনুরোধ জানান।”

About

Popular Links