Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা প্রধান গ্রেপ্তার

অভিযুক্ত শিক্ষককে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫১ পিএম

এক ছাত্রকে (৯) ধর্ষণের অভিযোগে সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার বৃহত্তর ফতেহপুর হযরত হায়দর শাহ (রহ.) হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ আব্দুর রহিমকে (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রথমে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৮টায় বিয়ানীবাজার থানায় তাকে হস্তান্তর করলে ভুক্তভোগীর বাবার করা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখায়।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

সূত্র জানায়, বিয়ানীবাজারের বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের কর্মরত এক ব্যক্তির ছেলে ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি সে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়। কারণ জানতে চাইলে সে ধর্ষণের বিষয়টি তার বাবাকে জানায়।

পরে বিষয়টি ৫২ ব্যাটলিয়নের দায়িত্বশীলদের জানানো হলে বুধবার দুপুরে ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফিজ আব্দুর রহিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঘটনার সত্যতা ও ভুক্তভোগী ছাত্রের মৌখিক জবানবন্দি নেওয়ার পর রাতে অভিযুক্তকে বিয়ানীবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মাদ্রাসাছাত্র ধর্ষণের বিষয়টি শুনে পৌর কিচেন মার্কেটে সভা করেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মাদ্রাসার কিছু ছাত্র উত্তেজিত হয়ে রাত ১২টায় সাবেক পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেনের ব্যক্তিগত অফিসে হামলা ও ভাঙচুর করে।

এ ঘটনায় তফজ্জুল হোসেন বাদী হয়ে দুইজনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। অভিযুক্তরা হলেন- প্রধান শিক্ষক হাফেজ আব্দুর রহিম ও তার দেহরক্ষী রনি। তবে এ মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পরিবর্তে ধর্ষণের পক্ষে আপস করে মীমাংসার চেষ্টা করে একটি চক্র। 

শেষ পর্যন্ত বিজিবি সদস্যদের হাতে আটক হন অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুর রহিম।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি হিল্লোল রায় বলেন, “অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে বিজিবির পক্ষ থেকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।”

About

Popular Links