Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মামলা লড়তে এসে আদালতের ক্যান্টিনে বাদী-বিবাদীপক্ষের সংঘর্ষ!

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২২ এএম

একটি মামলার কার্যক্রমে অংশ নিতে পঞ্চগড়ে আদালতে গিয়ে সেখানকার ক্যান্টিনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বাদী ও বিবাদীপক্ষের লোকজন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পঞ্চগড় থানার কোর্ট পুলিশ উভয়পক্ষের ছয়জনকে আটক করে কোর্ট হাজতে পাঠায়।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ক্যান্টিনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মজিবর রহমান বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কুদরত-ই খুদা মিলন এবং উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের বালুবাড়ি এলাকার আব্দুল হামিদসহ সাতজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলায় বেআইনিভাবে আদালতের বারান্দা ও ক্যান্টিনে ঢুকে সংঘর্ষে জড়ানো, সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি কর্মচারীকে বল প্রয়োগের হুমকিসহ আদালতের বিচারিক পরিবেশে নষ্ট করে ক্ষমতার দাপট প্রদর্শন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পরে আটক তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের বালুবাড়ি এলাকার আব্দুল হামিদ (৪০), একই উপজেলার বাইনগঞ্জ এলাকার নুর ইসলাম (৩৮), পাগলীডাঙ্গী এলাকার সেলিম রানা (২৫), জায়গীর জোত এলাকার আজিজার রহমান (৪৭), ঝাড়ুয়া পাড়া এলাকার ফারুক হোসেন (২৫) এবং একই এলাকার সাইদুল ইসলামকে (৩৮) মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। 

তবে মামলার মূল আসামি বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই খুদা মিলন পলাতক রয়েছেন। 

ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই খুদা মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো মারামারিতে জড়াইনি। ক্যান্টিনে যখন মারামারি হয় তখন আমি আদালত চত্বরে ছিলাম না। আমাকে কেন এই মামলার আসামি করা হয়েছে জানি না। 

এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা জানান, পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক মজিবর রহমান বাদী হয়ে সাত জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলা দিয়েছেন। মামলায় ছয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাবে বলে জানান তিনি।

About

Popular Links