Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অসুস্থ বোধ করায় ঢামেকে নেওয়া হয়েছিল ইভ্যালির রাসেলকে

ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল অসুস্থ বোধ করায় তাকে ঢামেকে নেওয়া হয়েছিল

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৯ এএম

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় তাকে গুলশান থানা থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল অসুস্থ বোধ করায় তাকে ঢামেকে নেওয়া হয়েছিল। তার অবস্থা ভালো হওয়ায় আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “উনাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল কারণ তিনি পুলিশকে বলেছিল অসুস্থ বোধ করেছেন। পরবর্তীতে গুলশান পুলিশের একটি দল তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসার পর গুলশান থানায় অবস্থান করছেন।”

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তার বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এর আগে বুধবার রাতে আরিফ বাকের নামে একজন ভুক্তভোগী গুলশান থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অর্থ আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এদিন গুলশান থানায় করা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান আসাদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তার বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার সাব ইন্সপেক্টর ওহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, আসামিরা তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা প্রতারকসহ ইভ্যালির পণ্য বিক্রয়ের নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এক গ্রাহকের ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা আত্মসাৎ করেন। তাই আসামিদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারসহ তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা আসামিদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান আসাদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদনে বলেন, ইভ্যালি গ্রাহকের কাছ থেকে পণ্যের টাকা নিয়ে তা সরবরাহকারীকে দেয়। এরপর সরবরাহকারী পণ্য দিলে ইভ্যালি গ্রাহককে সেই পণ্য গ্রাহককে বুঝিয়ে দেয়। সময়মতো সরবরাহকারী মালামাল দিতে পারেনি বলে ডেলিভারিতে কিছুটা দেরি হয়েছে। ইভ্যালি অনেককে পণ্যের টাকা ফেরত দিয়েছে এবং অনেকের কাছ থেকে আবার সময় চেয়েছে। তবে টাকা দেবে না এমন কথা কখনও বলেনি।

About

Popular Links