Friday, May 31, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বগুড়ায় দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পার্কে চাঁদাবাজির অভিযোগ

মোটরসাইকেলে আসা তিনজনকে আটক করে তাদের কাছে দুই হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০২ পিএম

বগুড়া শহরতলির গোকুল এলাকায় সদর থানা দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে “মম ইন ইকো পার্কে” বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ (মিডিয়া) ফয়সাল মাহমুদ রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা ট্রিবিউনকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন, উপ-সহকারি পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল্লাহ আল মোস্তফা ও কনস্টেবল (ড্রাইভার) মাহিদুর রহমান।

ফয়সাল মাহমুদ জানান, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার পর সদর থানার এএসআই আবদুল্লাহ আল মোস্তফা ও কনস্টেবল (ড্রাইভার) মাহিদুর রহমান মোটরসাইকেলে সদর উপজেলার গোকুল এলাকায় মম ইন ইকো পার্কে যান। তারা পার্কে আসা দর্শনার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে হয়রানি করতে থাকেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে আসা তিনজনকে আটক করে তাদের কাছে দুই হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ চাঁদা দাবি নিয়ে তাদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে আশাপাশে থাকা মানুষ পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করেন। খবর পেয়ে মম ইন ইকো পার্কের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর তিনি পরিচয় নিশ্চিত হয়ে এসএসআই মোস্তফা ও কনস্টেবল মাহিদুরকে জনরোষ থেকে বাঁচিয়ে থানায় পাঠিয়ে দেন। পরে বিষয়টি পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এরপর পুলিশ সুপার সুদীপ্ত কুমার চক্রবর্ত্তীর নির্দেশে উল্লিখিত দুই সদস্যকে সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

অভিযোগ প্রসঙ্গে এএসআই আবদুল্লাহ আল মোস্তফা জানান, তারা মোটরসাইকেলে মম ইন ইকো পার্কের ভেতর দিয়ে পল্লী মঙ্গলের দিকে যাচ্ছিলেন। পার্কের ভিতরে মোটরসাইকেল আরোহী তিনজনের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাদের কাছে কোনো চাঁদা দাবি করা হয়নি। কিছু লোকজন তাদের চিনতে না পেরে বিশৃঙ্খলা করেন। পরে পরিচয় পেলে তারা চলে যায়। আর মোটরসাইকেল আরোহীদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, “ডিউটির বাইরে কাউকে না জানিয়ে তারা মম ইন পার্কে যান। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসায় সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

About

Popular Links