Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ডিমেনশিয়া রোগীদের সুরক্ষায় সরকারি নীতিমালার দাবি

ডিমেনশিয়া অনেকগুলো রোগ-লক্ষণের সমষ্টি। ডিমেনশিয়ার অন্যতম কারণ অ্যালঝেইমারস

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৩ পিএম

িশ্বের বিভিন্ন দেশে অ্যালঝাইমারস রোগীদের স্বাভাবিক জীবন-যাপনের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। রোগীদের সুরক্ষায় বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো নীতিমালা নেই।  সরকারের উচিত অ্যালঝেইমারসে আক্রান্ত রোগীদের স্বাভাবিক জীবন-যাপনে সহায়তায় বিশেষ নীতিমাল তৈরি করা। এমন দাবি করেছেন অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব আলঝেইমার্স দিবসে উপলক্ষে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে অবস্থিত ফোক সেন্টারে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় এ বক্তব্য দেন তিনি। ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (আইইডি), জনউদ্যোগ ও এজিং সাপোর্ট ফোরাম যৌথভাবে এ সভাটির আয়োজন করে।

সভায় মেজর জেনারেল (অব) জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন হারমোনি ট্রাস্টের নিউরোপ্যাথি বিভাগের সমন্বয়ক সৈয়দা শাহিদা সুলতানা ইলোরা, আইইডির নির্বাহী পরিচালক নুমান আহম্মদ খান, প্রবীণ বিশেষজ্ঞ হাসান আলী প্রমুখ।

সভা সঞ্চালনা করেন জনউদ্যোগের সদস্য সচিব তারিক হোসেন। 

এ সময় বক্তারা ডিমেনশিয়া রোগ বিষয়ে আলোকপাত করেন এবং সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত এ ধরনের সেমিনার আয়োজনের কথা বলেন। এছাড়া ডিমেনশিয়া বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সৈয়দা শাহিদা সুলতানা ইলোরা বলেন, ডিমেনশিয়া অনেকগুলো রোগ-লক্ষণের সমষ্টি। ডিমেনশিয়ার অন্যতম কারণ আলঝেইমারস। ডিমেনশিয়া শব্দটি এমন একটি অবস্থাকে বোঝায়, যার প্রভাবে মস্তিষ্কের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমে ধীরে ধীরে অবনতি ঘটে। যেমন; স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া, চিন্তা ও চেতনার পরিবর্তন, কিছু বলতে গিয়ে সঠিক শব্দ খুঁজে না পাওয়া বা অন্যের কথা বুঝতে অসুবিধা হওয়া, ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া। 

স্যার উইলিয়াম বেভারেজ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও গবেষক মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাস বলেন, ব্যক্তিবিশেষে ডিমেনশিয়ার প্রাথমিক রূপ ভিন্ন হলেও সর্বশেষ অবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা নিজেদের শারীরিক যত্ন নিজেরা করতে পারেন না এবং জীবনের সব ক্ষেত্রে পরনির্ভরশীল হয়ে পড়েন। ধীরে ধীরে সমস্ত কার্যক্ষমতা চলে যায় আর বেঁচে থেকেও মৃতের জীবনযাপন করতে হয় তাদের। সাধারণত স্বাভাবিক জীবন-যাপন করা সম্ভব হয় না। তারপরও আক্রান্তদের যতটা সম্ভব স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরিয়ে আনতে সরকারিভাবে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।

About

Popular Links