Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিনহা হত্যা মামলা: তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

চতুর্থ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৮, ২৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেছে আদালত

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৯ পিএম

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহন শেষ হয়েছে। চতুর্থ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৮, ২৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেছে আদালত।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহন শেষ হয়েছে। দিনব্যাপী মামলার অন্যতম সাক্ষী সেনা কর্মকর্তা সার্জেন্ট আয়ুব আলী, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীন আবদুর রহমান ও  মোক্তার আহমদের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। এ নিয়ে এই পর্যন্ত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম জানান, বুধবার দিনব্যাপী ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৪ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরে আদালত চলতি মাসের ২৮ ও ২৯ তারিখে দিন ধার্য্য করেন। 

পিপি ফরিদুল আলম আরও বলেন, “আসামিপক্ষের আইনজীবী বিচারকে দীর্ঘায়ু করতে আদালতে বার বার বিভিন্ন অজুহাতে দরখাস্ত দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার আরও একটি দরখাস্ত দেন। কিন্তু, দেশের একটি বড় সংস্থার গোপন নথি চাওয়ায় আদালত দরখাস্তটি নাকচ করে দেন।”

আসামি পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত বলেন, “মেজর সিনহা হত্যাকান্ডের সময় এক সামরিক সংস্থার গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে যে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছিল, ওই প্রতিবেদনটি চেয়ে আমরা আদালতের কাছে দরখাস্ত দিয়েছি। আদালত তা নাকচ করেছেন। এছাড়াও মামলার সাক্ষী সেনা কর্মকর্তা সার্জেন্ট আয়ুব আলীকে আমরা জেরা করা থেকে বিরত থেকেছি।”

এদিকে, আদালতের এক সূত্র জানিয়েছে, তৃতীয় দফায় শেষ দিনে সাক্ষী সামরিক শাখার কর্মকর্তা সার্জেন্ট আয়ুব আলী সাক্ষ্য দেয়ার সময় আদালতকে জানিয়েছন, তিনি ঘটনার পর খবর শুনে সেখানে ( ঘটনাস্থলে ) গিয়েছিলেন। এসময় ঘটনার পরবর্তী সেখানকার চিত্র নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ধারণ করতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন এবং মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। মূলত ওই সময়ে পুলিশ কর্তৃক হত্যার ঘটনা ধামাচাপা তার সাথে বিরুপ আচরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

 এর আগে গত ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট টানা তিনদিন মামলার প্রথম দফায় ১নং সাক্ষী ও বাদি শারমিন সাহরিয়া ফেরদৌস ও ২নং সাক্ষী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। একইভাবে গত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর টানা ৪ দিনে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন আদালত। বুধবার তৃতীয় দফার শেষদিন পর্যন্ত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

About

Popular Links