Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

২০০ গ্রাম ইয়াবা বাণিজ্যের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, বিল পাশ

বিল অনুযায়ী, ২০০ গ্রাম ইয়াবা বা এর মুখ্য উপদান অ্যামফিটামিন পরিবহন, কেনাবেচা, মজুদ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, সেবন ও ব্যবহারের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৩৮ পিএম

২০০ গ্রাম বা তার বেশি ইয়াবা অথবা ২৫ গ্রামের অধিক হেরোইন ও কোকেইন উৎপাদন, কেনাবেচা ও ব্যবহারের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সাজার বিধান রেখে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০১৮ শনিবার জাতীয় সংসদে পাস করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়বিল অনুযায়ী, ২০০ গ্রাম ইয়াবা বা এর মুখ্য উপদান অ্যামফিটামিন পরিবহন, কেনাবেচা, মজুদ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, সেবন ও ব্যবহারের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

২০০ গ্রামের কম ইয়াবার ক্ষেত্রে শাস্তি হবে জরিমানার পাশাপাশি এক থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।

প্রস্তাবিত আইনে ইয়াবা ও অ্যামফিটামিন পদার্থকে এ-ক্যাটাগরির মাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ১৯৯০ সালের মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ছিল না।

হেরোইন, কোকেইন ও কোকা থেকে উৎপন্ন ২৫ গ্রামের বেশি মাদক পরিবহন, কেনাবেচা, মজুদ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, সেবন ও ব্যবহারের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর ২৫ গ্রামের কমে (এ-ক্যাটাগরির মাদক) শাস্তি হবে দুই থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড।

বিল অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি মাদক ব্যবসায় অর্থায়ন বা পৃষ্ঠপোষকতা করে তাহলে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।

ইউএনবি খবর প্রকাশ করেছে, যদি কোনো ব্যক্তি অথবা সংগঠন এমন অপরাধে অর্থায়ন, টাকা-পয়সা সরবরাহ অথবা পৃষ্ঠপোষকতা করে তাহলে আইন অনুযায়ী তাদেরও একই ধরনের শাস্তি হবে।

পাশাপাশি ইয়াবা, সিসা এবং ডোপ টেস্টকে এই বিলে একীভূত করা হয়েছে যা ১৯৯০ সালের মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ছিল না। এছাড়া প্রস্তাবিত আইনে মাদক খাটের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


About

Popular Links