Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বন্দী পাখি ফিরল জাবি’র প্রকৃতিতে

রাজধানীর টঙ্গী ও সাভারের পলাশবাড়ীর বিভিন্ন পাখির দোকানে বিক্রির উদ্দেশে নিয়ে আসা ১০টি বন্যপাখি উদ্ধার করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৩২ পিএম

রাজধানীর টঙ্গী ও সাভারের পলাশবাড়ীর বিভিন্ন পাখির দোকানে বিক্রির উদ্দেশে নিয়ে আসা ১০টি বন্যপাখি উদ্ধার করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠন “ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের” কর্মীদের প্রচেষ্টায় পাখিগুলো মুক্ত পরিবেশে ফিরে যায়।

বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে পাখিগুলো অবমুক্ত করে সংগঠনটির কর্মীরা। অবমুক্তের সময় উপস্থিত ছিলেন পাখি গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল হাসান খান। প্রকৃতির বুকে নতুন করে ফিরে যাওয়া পাখিগুলোর মধ্যে ছিল দুটি মদনা টিয়া, চারটি সবুজ টিয়া, দুটি মুনিয়া ও দুটি সরালি।

এর আগে পাখিগুলোকে রাজধানীর টঙ্গী ও সাভারের পলাশবাড়ী থেকে উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান, সংগঠনটির কর্মী ইফতিকার মাহমুদ, সৈয়দা অনন্যা ফারিয়া, মাহমুদুল হাসান তালুকদার, তাসবিন সাকিব, নিলয় হাসান ও তাজরিয়ান আলম নিলি ও ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের ইন্সপেক্টর নার্গিস সুলতানা লিজা।

প্রসঙ্গত, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ী পাখি সংগ্রহে রাখলে বা ক্রয়-বিক্রয় করলে অথবা পরিবহন করলে তিনি অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ছাড়া একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এ বিষয়ে অধ্যাপক মনিরুল হাসান খান বলেন, “উদ্ধার করা সবগুলো পাখিই আমাদের দেশি ও প্রজননক্ষম। বন্যপ্রাণী আইন অনুযায়ী দেশি পাখিগুলো পালন করা কিংবা ধরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ডিপ ইকোলজির তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা নিজেদের উদ্যোগে বন্দীদশা থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করেছে। এটা অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ পাশাপাশি বন্যপ্রাণী আইন বাস্তবায়নে একটা উত্তম পদক্ষেপ।”

About

Popular Links