Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সাগরে ভাসতে থাকার সতের দিন পর ২০ জেলেকে উদ্ধার

এক সপ্তাহ পর তাদের সঙ্গে থাকা খাবার ও পানি ফুরিয়ে যায়

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:১২ পিএম

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভেসে থাকার সতের দিন পর ২০ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। সোমবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উদ্ধার জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ড জানায়, গত ১১ ডিসেম্বর ইঞ্জিন বিকল হয়ে সাগরে ভাসতে ভাসতে দেশের সমুদ্রসীমা পেরিয়ে ভারতীয় অংশে চলে যায় ট্রলারটি। এক সপ্তাহ পর তাদের সঙ্গে থাকা খাবার ও পানি ফুরিয়ে যায়।

২৬ ডিসেম্বর ভারতীয় কোস্টগার্ড “এফ বি আল্লার দান“ নামে ভোলার ওই ফিসিং ট্রলারটি দেখতে পেয়ে ২০ জেলেকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করে।। পরে রবিবার (৯ জানুয়ারি) বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত রেখা থেকে ভারতীয় কোস্টগার্ডের কাছ থেকে জেলেদের নিজ হেফাজতে নেয় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন এম মোসায়েদ হোসেন জেলেদের উদ্ধারকাজের বর্ণনা দেন।

তিনি জানান, সাগরে যাওয়ার ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ফিরে না আসায় ট্রলারটির মালিক আবুল কাশেম চরফ্যাশনের কোস্টগার্ড অফিসকে জানান। খবর পেয়ে সাগরে টহলরত কোস্টগার্ডের জাহাজগুলো ট্রলারটির সন্ধান করে। ভারতীয় কোস্টগার্ডকে বিষয়টি জানানো হয়। ২৬ ডিসেম্বর ভারতীয় কোস্টগার্ড তাদের জলসীমায় ট্রলারটির অবস্থান নিশ্চিত করে। পরের দিন তারা সংকটাপন্ন অবস্থায় বাংলাদেশি জেলেদের উদ্ধার করে।  রবিববার সাগরের বাংলাদেশ সীমানা পর্যন্ত জেলেদের পৌঁছে দেয় ভারতীয় কোস্টগার্ড। পরে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জাহাজ স্বাধীন বাংলা ওই ২০ জেলেকে মোংলায় নিয়ে আসে।

উদ্ধার হওয়া ২০ জেলে হলেন-মো. নজরুল ইসলাম, মো. তাছিন, মো. নুরুল ইসলাম, মো. হানিফ, মো. সোহেল, মো. বেল্লাল, মো. আলাউদ্দিন আহমেদ, আবু বকর, মো. মিরাজ, মো. সালাউদ্দিন, মো. সালাউদ্দিন, মো. সবুজ, মো. হারুন, মো. জামাল, মো. বসর, মো. মোস্তাফিজ, মো. সোলাইমান, মো. আবু জাহের, মো. রিপন ও মো. দেলোয়ার। তাদের সবার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায়।

About

Popular Links