Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর দাবিতে পাঁচ দম্পতির লড়াই

রবিবার শুনানি শেষে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ও শিশু-কিশোর বিষয়ক আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান, আগ্রহী দম্পতিদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণপত্রসহ শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ লক্ষ টাকার বন্ড আদালতে পেশ করার আদেশ দেন

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ০২:০৬ পিএম

বরিশাল শহরের রাস্তার পাশে কুড়ে পাওয়া নবজাতক মেয়ে শিশুর দায়িত্ব নিতে রীতিমত লড়াই শুরু হয়েছে আগ্রহী দম্পতিদের মাঝে।

শিশুটির সাথে কোনো ধরনের সম্পর্ক না থাকলেও পাঁচ দম্পতি শিশুটির ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে আগ্রহী জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছেন। আবেদনকারীরা হলেন আইয়াহা সিদ্দিকী, আবদুল বারী চৌধুরী, একরামুল হক চৌধুরী, নজরুল ইসলাম ও আফসানুল জহির। উদ্ধারকৃত নবজাতক শিশুটির দায়িত্ব পেতে প্রত্যেকেই আলাদাভাবে আবেদন করেছেন। 

রবিবার শুনানি শেষে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ও শিশু-কিশোর বিষয়ক আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান, আগ্রহী দম্পতিদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণপত্রসহ শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ লক্ষ টাকার বন্ড আদালতে পেশ করার আদেশ দেন। 

২০১৯ সালের জানুয়ারির ১ তারিখে চূড়ান্ত রায়ের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। এছাড়াও উদ্ধারের প্রথম দিন থেকে শিশুটির পরিচর্যাকারী কামরুল আহসান রূপনের হেফাজতে শিশুটিকে রাখতে নির্দেশ দেন আদালত। 

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, বরিশাল সিটি কলেজ ক্যাম্পাস এলাকায় গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টায় পরিত্যক্ত অবস্থায এক সপ্তাহ বয়সের এ শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

ওই এলাকার বাসিন্দা নাসিরউদ্দীন চৌধুরীর বাড়ির গৃহকর্মী মিনারা বেগম শিশুটির কান্না শুনে স্থানীয় সাংবাদিকের সহায়তায় পুলিশকে জানান। সাময়িকভাবে শিশুটিকে প্রতিপালনের জন্য কামরুল আহসান রূপনকে দায়িত্ব প্রদান করে পুলিশ।

আয়েশা সিদ্দিকী নামের আগ্রহী এক গৃহিনী শিশুটির দায়িত্ব নিতে ২৪ অক্টোবর আদালতে আপিল করেন। সাময়িকভাবে তার আবেদন মঞ্জুর করে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের শুনানীর জন্য ২৮ অক্টোবরে তারিখ ধার্য করেন। পরবর্তীতে কামরুল আহসান রূপনের ভগ্নীপতি একরামুল হক চৌধুরী আদালতের সাময়িক রায়ের বিপরীতে আপিল করলে আদালত আদেশ স্থগিত করেন।

গতকাল ২৮ অক্টোবর শুনানির সময় আরো তিন দম্পতি নবজাতক মেয়েটিকে দত্তক নিতে আদালতের সামনে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ঢাকা থেকে আসা আগ্রহী আফসানুল জহির জানান, তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং আদালতের প্রতি মানবিক এ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

About

Popular Links