Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়

৩০০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ‘পুলিশ হত্যাচেষ্টার’ মামলা

মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া, গুলিবর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশকে হত্যার উদ্দেশে মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২২, ১২:৩০ পিএম

সিলেটের জালালাবাদ থানায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় কোনো শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মো. আজবাহার আলী শেখ।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মামলাটি দায়ের করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল হান্নান। প্রথম আলো অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া, গুলিবর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশকে হত্যার উদ্দেশে মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে মো. আজবাহার আলী শেখ বলেন, “মামলায় কাওকে হয়রানি করা হবে না। উত্তেজনার কিছু নেই। কাওকে ধরপাকড়ও করা হচ্ছে না। সেদিনের ঘটনায় পুলিশের অস্ত্র-গুলি গেছে, পুলিশ সদস্যরা আহত হয়েছেন। এগুলোর জাস্টিফিকেশন আছে। তাই মামলাটি করা হয়েছে। মামলা এবং মামলার এজাহারে কারও নাম নেই, ঘটনার বর্ণনা-কিছুই নেই।”

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটে। রবিবার সাড়ে ৫টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী হঠাৎ কর্তব্যরত পুলিশের কাজে বাধা দিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন। তারা পুলিশের সরকারি অস্ত্র টানাটানি করে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তারা বৃষ্টির মত ইট-পাটকেল ছোড়ে। এছাড়াও পুলিশের পুলিশকে উদ্দেশ্য করে গুলি এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩১টি শটগানের গুলি এবং ২১টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের জন্য থানার এসআই মো. আসাদুজ্জামানকে দিয়েছেন জালালাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু খালেদ মামুন।

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি বিকেল তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি শিক্ষা ভবনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবিসহ তিন দফা দাবি আদায় এবং ছাত্রীদের চলমান আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগে রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর সংলগ্ন রাস্তা অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

ওই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনের তালা ভেঙে পুলিশি নিরাপত্তায় ভিসিকে বের করে আনা হয়।

About

Popular Links