Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাজশাহীতে বেড়েছে শীতকালীন রোগের প্রকোপ

শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, জ্বর-সর্দি ইত্যাদি উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:২১ এএম

রাজশাহীতে গত কয়েকদিন থেকেই তাপমাত্রা কমছে। মৌসুমের সর্বনিম্ন ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বৃহস্পতিবার। এরকম অবস্থায় শীতজনিত কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট জ্বর-সর্দি নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত কয়েক দিনের তুলনায় শীতকালীন রোগে ভোগা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে সূর্যের দেখা মিললেও সাড়ে ৯টার দিকে আবার কুয়াশায় ঢেকে যায় নগরী। বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে আবার সূর্যের দেখা মেলে। এ সময় কুয়াশার সঙ্গে ছিল হিমেল হাওয়ার দাপট।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক আবদুস সালাম জানান, বৃহস্পতিবার সকালেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯টায় ০.৪ তাপমাত্রা ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যায়। এ নিয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দাঁড়ায় ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ দিন বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই মৌসুমের গত ২০ ডিসেম্বর রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯% ও সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ৭৫%। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এছাড়া ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সে অনুযায়ী রাজশাহীতে শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শুক্রবার তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। কোনো কারণে তাপমাত্রা না কমলেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

রামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক পার্থ মনি জানান, হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসছে। সেবা দিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বেগ পেতে হচ্ছে নবজাতকদের। শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে অভিভাবকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

About

Popular Links