Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাজশাহীতে সন্ধ্যার পর বন্ধ থাকবে দোকানপাট

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে বাইরে জনসমাগম রোধে দোকানপাট ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে রাজশাহীর স্থানীয় প্রশাসন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১১:২৩ এএম

রাজশাহীতে হঠাৎ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে বাইরে জনসমাগম রোধে দোকানপাট ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে মাইকিং করে সেটি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি শনিবার প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন থেকে রাজশাহীতে সংক্রমণের হার ৬০%-এর ওপরে। শুক্রবার এই হার ছিল ৬৩%-এর ওপরে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার তা ৭৫%-এ পৌঁছায়। সংক্রমণের হারের কারণে রাজশাহী জেলা দেশের মধ্যে রেড জোনে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কোভিড পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে জনগণকে অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যেতে নিরুৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে জেলার কোভিড নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা কমিটি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। মাইকিং-এ বলা হয়, কোভিড সংক্রমণ রোধে শনিবার থেকে সন্ধ্যার পর দোকানপাট, শপিংমল ও কমিউনিটিসেন্টার বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যেতেও নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত আদেশ সকলকে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও এই সংক্রান্ত নির্দেশ কার্যকর করতে আরএমপির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানা ও ফাঁড়িগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল জানান, রাজশাহী জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারও একার পক্ষে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে জনগণের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার থেকে সন্ধ্যার পর থেকে বিশেষ করে ৮টার পর দোকানপাট, বিপণি-বিতান, শপিংমল ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ্য থাকবে।

তিনি বলেন, “শুক্রবার থেকে এ সংক্রান্ত মাইকিং করা হয়েছে। জাতীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রাজশাহী জেলার করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা কমিটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শনিবার গণবিজ্ঞপ্তি আকারে তা প্রকাশ করা হবে। জনস্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত অনুসারে কাজ করবেন।”

জেলা প্রশাসক আরও জানান, বিনোদন কেন্দ্রগুলো ও হাট-বাজার পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। অহেতুক কোথাও জনসমাগম বা আড্ডা প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে তদারকি বৃদ্ধি করা হবে।

About

Popular Links