Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে কোভিডে মৃতদের ৭৮% টিকা নেননি

সদ্য শেষ হওয়া জানুয়ারির প্রতি সপ্তাহেই মৃতের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বেড়েছে

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০২:১৩ পিএম

জানুয়ারির শেষ দিনে ৩১ জনের মৃত্যুর মাধ্যমে গত মাসের চতুর্থ ও সর্বশেষ সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০ জনে, যা কি-না তৃতীয় সপ্তাহের চেয়ে ৭৭% বেশি। আর এ সময়ে মারা যাওয়া ৭৭.৯% ব্যক্তিই করোনাভাইরাস প্রতিরোধক টিকা নেননি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণ।

জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে মারা যাওয়া ১৪০ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক টিকা নেননি  ১০৯ জন ব্যক্তি। টিকা নেওয়ার পরও কোভিড আক্রান্ত হয়ে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের ৬ জন এক ডোজ নিয়েছিলেন , ২৩ জন দুই ডোজ এবং ২ জন তৃতীয় অর্থাৎ বুস্টার ডোইর টিকা নিয়েছিলেন।

সদ্য শেষ হওয়া মাসের চতুর্থ সপ্তাহে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৫% ব্যক্তির উচ্চ রক্তচাপ, ৬২% ব্যক্তির ডায়াবেটিস এবং ২০% ব্যক্তির হৃদ্‌রোগের সমস্যা ছিল। এছাড়া, মৃতদের মধ্যে ৫১ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী ব্যাক্তি ছিলেন ৭৬%।

জানুয়ারি মাসে সর্বমোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহে যথাক্রমে ২৫, ৪২ ও ৭৯ জন মারা যান। অর্থাৎ গত মাসের প্রতি সপ্তাহেই মৃতের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বেড়েছে, যা অবাহত ছিল শেষ সপ্তাহেও।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্যবিদেরা টিকা নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে জানান, টিকা করোনারভাইরাসের সংক্রমণ পুরোপুরিভাবে প্রতিরোধ না করতে পারলেও আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে উপসর্গের তীব্রতা কম হবে, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হবে না এবং মৃত্যুর ঝুঁকি কমবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভাষ্যমতে, আক্রান্ত ব্যক্তিরা হাসপাতালে কম ভর্তি হচ্ছেন। গত ১০ দিনে এক লাখের বেশি ব্যক্তি নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও গতকাল পর্যন্ত হাসপাতালের সাধারণ শয্যায় ২,৫৪৯ জন এবং আইসিইউ শয্যায় ৩৩২ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।

নমুনা পরীক্ষা করতে সরকারি-বেসরকারি ৬৫৩টি পরীক্ষাগার  ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব পরীক্ষাগারে আরটি-পিসিআর, জিন এক্সপার্ট এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হচ্ছে।

About

Popular Links