Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টিকা সনদ যাচাই করতে রেস্টুরেন্টে পুলিশ

যারা টিকা নেননি তাদের পুলিশের সহযোগিতায় তাৎক্ষণিক টিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৮:৪৪ পিএম

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে কি-না তা দেখতে মাঠে নেমেছে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ।

রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রেস্টুরেন্টে পরিচালিত অভিযানের নেতৃত্ব দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

এ সময় তিনি শহরের রাজ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে যান। রেস্টুরেন্টে আসা ক্রেতাদের পাশাপাশি অন্যান্য বাণ্যিজিক প্রতিষ্ঠানের ক্রেতা-বিক্রেতারা করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন কি-না সে সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করেন তিনি। টিকা না নেওয়া ব্যক্তিকে পুলিশের উদ্যোগে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন পুলিশ সুপার।

 পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষজন।

এদিন মানিকগঞ্জ শহরের দুধবাজার, গুড়পট্টি, পানপট্টি, ফলপট্টি এলাকার বিভিন্ন দোকানে গিয়ে করোনাভাইরাসের টিকা সনদ যাচাই করে পুলিশ।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান প্রতিটি দোকানে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাকে টিকা নেওয়া আছে কি-না তা জিজ্ঞেস করেন। অনেকেই এ সময় টিকা সনদ এবং টিকা সংক্রান্ত মোবাইলের মেসেজ দেখান। যারা টিকা নেননি তাদের পুলিশের সহযোগিতায় তাৎক্ষণিক টিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এদিকে পুলিশের এই অভিযান চলাকালে টিকা না নেওয়া অনেক বিক্রেতা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চলে যান। 

এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান বলেন, “করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার ১১ দফা স্বাস্থ্যবিধি ঘোষণা করেছেন। মানুষজনকে সচেতন করতে বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে। এরপরও অনেকই স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। ক্রেতাদের ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা রয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে মানিকগঞ্জ পৌরমার্কেট, শহীদ স্মরনী রোড় ও শহরের বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গত তিন দিনের এই অভিযান ৭৮জনকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।”

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী বলেন, “পুলিশ সুপারের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও অনেক মানুষের অনীহা রয়েছে। পুলিশ সুপারের মতো বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন যদি মাঠে নামেন তবে মানুষজন স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে আরও সচেতন হতো।”

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, “সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মানা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। পুলিশ সুপার যেটি করছেন তাতে মানুষজন আরও সচেতন হবে।”

About

Popular Links