Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চট্টগ্রামে মেট্রোরেলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ব্যয় ৫১ কোটি টাকা

মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা কার্যক্রমে ৫১ কোটি টাকা অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৫২ পিএম

চট্টগ্রাম মহানগরীতে পরিবহন ব্যবস্থার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি মাস্টার প্ল্যান তৈরি এবং মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা কার্যক্রমে ৫১ কোটি টাকা অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এই সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হতে প্রায় ১৮ মাস সময় প্রয়োজন হবে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জেং কিউন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

মেয়র বলেন, “স্বাধীনতার পরপরই যেসব দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া তার মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় শুরু থেকেই যুক্ত আছে দক্ষিণ কোরিয়া।”

বাংলাদেশকে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার নেপথ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ অবদান রয়েছে। উন্নয়ন সহযোগী এই দেশটি বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিশেষভাবে চট্টগ্রামে মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোইকা-এর সহায়তায় প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষায় ৫১ কোটি টাকা অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সরকার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জেং কিউন চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “পাহাড়, নদী, সাগর-বেষ্টিত একটি অনন্য নগরী এটি। যে কোনো বিদেশি পর্যটক এর সৌন্দর্য দেখে বিমুগ্ধ হবেন।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া শীর্ষস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেমের আওতায় বাংলাদেশের জনগণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে।”

১৯৯৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে কেইপিজেড প্রতিষ্ঠার অনুমতি পায় এবং ইয়ংওয়ান-এর মত পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এখানে শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে বহু কর্মসংস্থান করেছে। কেইপিজেড-এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন হলে অন্য দেশের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আস্থা পাবে। বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নিজস্ব ব্র্যান্ডের বিকাশ ঘটাতে হবে।

এ লক্ষ্যে শীঘ্রই অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য কোইকা-এর সহযোগিতায় চট্টগ্রামে মেট্রোরেল প্রকল্পে নগরীর উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় ও তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে। এই সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হতে প্রায় ১৮ মাস সময় প্রয়োজন হবে বলে তিনি মেয়রকে অবহিত করেন।

বৈঠককালে উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম, সচিব খালেদ মাহমুদ, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল হুদা, অতিরিক্ত প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, কোরিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারি জেং ইউল লি, প্রফেসর ইলজন চ্যাং, কোইকা-এর প্রতিনিধি চ্যাউন কিম, জিং বো চুই, মো জেন কং, চট্টগ্রাম কোরিয়ান এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মি. জিনহুক পাইক।

About

Popular Links