Friday, June 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নান্দনিক রূপ পাচ্ছে রাজশাহীর শাহ মখদুম দরগা

প্রখ্যাত এই সুফি সাধকের মাজারে প্রতি বছর দেশ-বিদেশের বহুসংখ্যক দর্শনার্থী আসেন

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:০৭ পিএম

সুফি সাধক হযরত শাহ মখদুম রুপোশের (র.) পূণ্যভূমিখ্যাত রাজশাহী। এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচারে তার অবদান সর্বজনস্বীকৃত। প্রখ্যাত এই সুফি সাধকের দরগা ও মাজারে প্রতি বছর দেশ-বিদেশের বহুসংখ্যক দর্শনার্থী আসেন।

শহরের দরগাপাড়া এলাকায় প্রমত্তা পদ্মার তীরে অবস্থিত এই দরগা কমপ্লেক্স সংস্কারে রাজশাহী সিটি করপোরেশনে (রাসিক) ২৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৭ হাজার টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ফলে রাজশাহীর দর্শনীয় এই ধর্মীয় স্থাপনা এবার নান্দনিক রূপ পেতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাসিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ মান্নান প্রকল্পটির অনুমোদন দেন।

নতুন করে নির্মাণের পর এমন রূপ পাবে শাহ মখদুমের দরগার ফটক ঢাকা ট্রিবিউন

প্রকল্পটির অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ মান্নানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

শাহ মখদুম রুপোশের (র.) দরগা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রয়েছে- মসজিদ ও মাজার কমপ্লেক্স নির্মাণে স্থাপত্য ও প্রকৌশল নকশা প্রণয়ন এবং নির্মাণ তদারকিতে পরামর্শক নিয়োগ, চার তলা মাজার কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবন, চার তলা মিনারসহ মসজিদ, মাজার, সীমানা প্রাচীর ও প্রবেশদ্বার নির্মাণ ও ল্যান্ডস্কেপিং। প্রকল্প শেষে নান্দনিক রূপ পাবে মসজিদ ও মাজার কমপ্লেক্স।

সুফি সাধক হিসেবে পরিচিত শাহ মখদুমের আসল নাম ছিল আব্দুল কুদ্দুছ জালালুদ্দীন। তিনি ছিলেন হযরত আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) পৌত্র আজলা শাহের ছেলে। আনুমানিক ১২৮৬ সালে বড় ভাই সৈয়দ আহমদ ওরফে মীরন শাহকে নিয়ে বাগদাদ থেকে রাজশাহীতে আসেন তিনি।

শাহ মখদুম দরগা ফটকের বর্তমান রূপ ঢাকা ট্রিবিউন

প্রতি বছর ১০ মহররম শাহ মখদুমের দরগায় একটি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন তাজিয়া বের করা হয় এবং লাঠি খেলা ও নকল তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধের মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন হিসেবে শাহ মখদুমের (র.) মাজার নির্মাণের সময়কাল নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। শ্যামপুর শিলালিপি ও একটি ফারসি শিলালিপির বরাত দিয়ে বলা হয়, এটি সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে নির্মিত। পরে আলী কুলী বেগ মাজারের আমূল সংষ্কার করে বর্তমান গম্বুজটি নির্মাণ করেন।

About

Popular Links