Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শুক্রবার সিলেটে যাচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী, যেতে পারেন শাবিতে

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. আলমগীর কবিরকে প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:২৩ পিএম

অনশন ভাঙলেও উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে এখনও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সিলেটে যাচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে শুক্রবার সকালে সিলেটে পা রাখবেন তিনি।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সিলেটে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির মতবিনিময় সভা রয়েছে। শাবি ক্যাম্পাসেও তার যাওয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে শাবির সহযোগী অধ্যাপক ড. আলমগীর কবিরকে প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইশরাত ইবনে ইসমাইলকে নতুন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আলমগীর কবিরকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইশরাত ইবনে ইসমাইলকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ড. আলমগীর কবির।

এর আগে, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আমিনা পারভীনকে নতুন ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি প্রভোস্টবিরোধী আন্দোলনের সময় অবরুদ্ধ উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে মুক্ত করতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। এ সময় আহত হন ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ। হামলার পরপরই প্রভোস্ট বিরোধী আন্দোলন উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালকসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষককের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনশন শুরু করার ১৬৩ ঘণ্টা পর ২৬ জানুয়ারি শিক্ষাবিদ-কলামিস্ট অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান এবং সব দাবি মেনে নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন। এরপর থেকে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে শিক্ষার্থীরা।

About

Popular Links