Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কলেজ ভবনে ৭০টি মৌচাক, ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি

অগণিত মৌমাছি ক্যাম্পাসে উড়ে বেড়ালেও তারা কারও কোনো ক্ষতি করে না

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:০১ পিএম

শীতকাল এলেই শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের বন্দটেকি এলাকার চন্দ্রকোনা ডিগ্রি কলেজের চার তলা নতুন ভবনের চারদিকের কার্নিশে মৌমাছি মৌচাক বানায়। এ বছরও কলেজ ভবনে ৭০টি মৌচাক বানিয়েছিল মৌমাছির দল। সেগুলো ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। 

অনলাইন গণমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ব্রহ্মপুত্র নদবিধৌত চন্দ্রকোনা এলাকা প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে প্লাবিত হয়। এতে জমিতে প্রচুর পলি জমে। বর্ষা শেষে পানি নেমে গেলে পলি মিশ্রিত উর্বর জমিতে সরিষার চাষ হয়। সরিষা ফুল থেকে মধু আহরণ করে মৌমাছি বাসা বাঁধে। কিন্তু চন্দ্রকোনা কলেজ ভবনে মৌমাছি যে পরিমাণ বাসা বাঁধে তা এখানকার আর কোথাও দেখা যায় না। 

২০১৮ সাল থেকে কলেজের কোনো ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক কিংবা কর্মচারীকে মৌমাছি হুল ফুটিয়েছে এমন ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। 

শিক্ষার্থী সাগর মিয়া বলেন, “আমরা যখন শ্রেণিকক্ষে থাকি কিংবা মাঠে খেলাধুলা করি, তখন অগণিত মৌমাছি আমাদের মাথার ওপর দিয়ে উড়তে থাকে। কিন্তু আমাদের কোনো ক্ষতি তারা করেনি।”

স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ আলী জানান, সরিষার মৌসুম এলেই দলে দলে মৌমাছিরা এসে কলেজ ভবনে চাক বানায়। প্রতিদিন বিকেল হলেই আশপাশের লোকজন কলেজ মাঠে জমায়েত হয় মৌচাক দেখতে। তবে কেউ মৌমাছিদের বিরক্ত করে না। তারাও কারও ক্ষতি করেছে বলে শুনিনি। 

কলেজের গ্রন্থাগারিক ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান গেন্দু বলেন, “প্রথম অবস্থায় মৌচাকের সংখ্যা কম থাকলেও এবার তা বেড়ে ৭০টিতে দাঁড়িয়েছে। কলেজের কেউ মৌমাছিদের বিরক্ত করে না। গত দু'বছর ধরে আমরা মৌচাকগুলো নিলামে বিক্রি করে দিচ্ছি। এতে কলেজের একটা বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা হয়েছে। এ বছর মৌচাকগুলো ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

About

Popular Links