Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ফাঁসির অপেক্ষায় থাকা যুদ্ধাপরাধী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যু

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটসহ ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ১৪টিতে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১০:২৮ পিএম

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার (৭৭) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র সুপার সুভাষ কুমার ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জাতীয় পার্টির সাবেক এই নেতাকে ২০১৪ সালে দোষী সাব্যস্ত করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটসহ ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ১৪টিতে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

এর মধ্যে তাকে সাতটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড, তিনটিতে মৃত্যু পর্যন্ত কারাদণ্ড, একটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য তিনটি অভিযোগে পাঁচ থেকে দশ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময়, কায়সার পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সমর্থন করে, ৫০০ থেকে ৬০০ জন স্বাধীনতাবিরোধীকে নিয়ে “কায়সার বাহিনী” নামে একটি মিলিশিয়া গঠন করেন। তিনি হিন্দু সম্প্রদায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থকদের ওপর আক্রমণ ও অত্যাচার করার জন্য বিভিন্ন গ্রামে পাকিস্তানি সেনাদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১৭ আসন থেকে বিজয়ী হন।

কায়সার পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলটির হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি হন।

পরে তিনি এইচ এম এরশাদের জাতীয় পার্টিতে চলে যান এবং ১৯৮৮ সালে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে জয়লাভ করেন। এইচ এম এরশাদের শাসনামলে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন।

About

Popular Links