Friday, May 31, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দুদকের মামলায় বাগেরহাটের পৌর মেয়র কারাগারে

প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:৩৭ পিএম

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান হাবিবুর রহমান এবং পৌরসভার সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল করিমের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌর মেয়র ও সাবেক সচিব বাগেরহাটের জেলা ও দায়রা বিশেষ জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক মো. রবিউল ইসলাম শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানের নির্দেশ দেন।

এদিকে পৌর মেয়রের জামিন নামঞ্জুরের প্রতিবাদে দুপুরে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও রাস্তায় বিদ্যুতের খুঁটি ফেলে অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। এর ফলে বন্ধ হয়ে যায় মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল। পরে পুলিশ মহাসড়কের ব্যারিকেড সরিয়ে দেয়। এ ঘটনার পর দুপুর আড়াইটার পর বিশেষ পুলিশি প্রহরায় তাকে কারাগারে নেওয়া হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ভূইয়া হেমায়েত উদ্দীন নেতাকর্মীদের জানান, কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা না করতে দলীয়ভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইনের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করা হবে। কেউ এর ব্যতিক্রম করলে তার জন্য আওয়ামী লীগ কোনো প্রকার সুপারিশ করবে না।

আদালত থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২৫ নভেম্বর পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুদক। চাকরিতে লোক নিয়োগ এবং আবাহনী ক্রীড়া কমপ্লেক্স ও ডায়াবেটিস হাসপাতাল নির্মাণ না করে বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের সম্মিলিত খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। 

মামলা দায়েরের পর এ বছরের ৩১ জানুয়ারী হাইকোর্টে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান ও সাবেক সচিব বর্তমান মাগুরা পৌরসভার সচিব মোহাম্মদ রেজাউল করিম জামিনের আবেদন করলে শুনানী শেষে তাদের ৩ সপ্তাহের মাধ্য নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দেন। 

২০২০ সালে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তা অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে তাদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজসে সরকারের অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের ২ নম্বর দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় দুটি মামলা করা হয়।

About

Popular Links